Barak UpdatesHappeningsBreaking News
যোগ ও সঙ্গীতের মিলন সন্ধ্যায় শিলচরে আত্মপ্রকাশ করল ভজন ক্লাবিং

ওয়েটুবরাক, ২২ জুন: সম্পূর্ণ এক ভিন্ন পরিবেশে শিলচরে জন্ম নিল ভজন ক্লাবিং। একদিকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস, অন্যদিকে বিশ্ব সঙ্গীত দিবস। রবিবার দিনভর নানা জায়গায় যোগ অনুশীলন হয়েছে, সঙ্গীতের প্রসারেও হয়েছে বিবিধ কার্যক্রম। কিন্তু সবকটিই ছিল হয়তো যোগ, নতুবা সঙ্গীতানুষ্ঠান। আর্ট অব লিভিং এই দুই বিষয়কে ক্লাবিং করে রবিবার গোলদীঘি মলে এক অনন্য সন্ধ্যা উপহার দিল। যোগ ও সঙ্গীতের মিলন সন্ধ্যাতেই আত্মপ্রকাশ করে এই ভজন ক্লাবিং। মুখ্য কার্যকর্তা পুলক ভট্টাচার্য বললেন, গোটা পূর্বাঞ্চলে এই ধরনের ভজন ক্লাব গঠন এই প্রথম।
প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে যোগ দিবস ও সঙ্গীত দিবসের যৌথ আয়োজনের উদ্বোধন করেন শিলচরের সাংসদ পরিমল শুক্লবৈদ্য। সঙ্গে ছিলেন ডিআইজি জয়শ্রী খেরসা ও বিশিষ্ট সমাজসেবী মূলচাঁদ বৈদ। এর পরেই অতিথিবৃন্দ আর্ট অব লিভিঙের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীশ্রী রবিশঙ্করের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। উপস্থিত ভক্তগণ শাঁখ বাজিয়ে গোটা চত্বরে এক আধ্যাত্মিক পরিবেশ তৈরি করেন।
সমবেত কণ্ঠে হনুমান চালিশা গীতের পর শুরু হয় ধ্যান ও যোগ অনুশীলন। তাতে আর্ট অব লিভিঙের সদস্যরা যেমন ছিলেন, তেমনি সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ তাতে অংশ নেন। পরে হয় ভজন।
পুলক ভট্টাচার্যের কথায়, তরুণ প্রজন্মের অনেকেই জীবন গঠনের চাপ থেকে কিছুটা হলেও মুক্ত হতে চায়। একইভাবে অভিভাবকরা জীবনের একঘেয়েমি থেকে কিছু সময়ের জন্য বের হয়ে আসতে চান। তখনই তাঁরা অন্য কিছু খুঁজে বেড়ায়। অভিভাবকরা অভিজ্ঞতার আলোকে পথভ্রষ্ট না হলেও তরুণদের মধ্যে বিচ্যুতির আশঙ্কা দেখা দেয়। তাই প্রয়োজন তাদের সামনে উপযুক্ত বিকল্প তুলে ধরা। ভজন ক্লাবিং সেই ধারণা থেকেই গড়ে তোলা হয়েছে। তিনি আশাবাদী, ভজনের সুরের মূর্ছনায় আকৃষ্ট হবে সব বয়সের মানুষ এবং সেটাই হবে সেরা বিকল্প। এই আনন্দ একবার পেয়ে গেলে আর কারও পথভ্রষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।

