Barak UpdatesAnalyticsBusiness

উতপাদন বেড়েছে, বেড়েছে দামও, তবু টিঁকে থাকা নিয়ে শঙ্কায় বরাকের চা-মালিকরা
Production has increased, rate has also increased, but tea garden owners of Barak finding hard to sustain

৬ এপ্রিলঃ বরাক উপত্যকায় গত বছর ৪৮.৭৮ মিলিয়ন কিলোগ্রাম চা উতপাদিত হয়েছে। ২০১৭ সালের তুলনায় তা ৩ শতাংশ বেশি। দামের ক্ষেত্রেও এর আগের বারের তুলনায় গত বছর ৪.৭ শতাংশ বেশি মিলেছে। ২০১৮ সালে গড় দাম মিলেছে ১২৪ টাকা ২৩ পয়সা। টি অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া একে লাভজনক বলে মনে করছে না। কারণ যে হারে চা উতপাদনের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে, বা অন্যান্য সমস্যার মোকাবিলা করতে হচ্ছে, সে সবের তুলনায় চায়ের দাম বেড়েছে খুবই কম। একে সামঞ্জস্যপূর্ণ জায়গায় নেওয়া না গেলে এই অঞ্চলে চা শিল্পের ভবিষ্যত ফিরে আসবে না বলে জোর দিয়ে বলেছেন চা উতপাদকরা।

টি অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার বরাক ভ্যালি শাখার বার্ষিক সাধারণ সভায় সংগঠনের চেয়ারম্যান এসকে তাপাড়িয়া বলেন, শ্রমিকদের অনুপস্থিতি এই জায়গায় বড় অন্তরায়। স্থায়ী কি অস্থায়ী, প্রায়ই তারা গরহাজির থাকছেন। তাই মানুষ নয়, বেশি করে মেশিনের কথা ভাবতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর কথায়, শুধু চা উতপাদনের মাধ্যমে বাগানগুলিকে টিকিয়ে রাখা মুশকিল হয়ে দাঁড়াচ্ছে। একদিকে সিটিসি টি ছেড়ে গ্রিন টি বা অর্থোডক্স টি উতপাদনে গুরুত্ব দিতে হবে, অন্যদিকে চায়ের পাশাপাশি আরও কিছু করার কথা ভাবতে হবে। সে জন্য লিজ দেওয়া জমিগুলিকে ফ্রি-হোল্ড পাট্টা বলে ঘোষণার দাবি করেন তিনি। বলেন, তাহলে তাতে টি-ট্যুরিজম গড়ে তোলা যেতে পারে। লিজ জমিতে জলাশয় তৈরি বা অন্যান্য ফসলও ফলানো যেতে পারে।

চা শিল্পের প্রতি বিভিন্ন দিক থেকে উদাসীনতার অভিযোগ করে সভাপতি বলেন, লোডশেডিংয়ে চায়ের বিরাট ক্ষতি করে। বিশেষ করে, মেশিনে পাতা থাকা অবস্থায় বিদ্যুত চলে গেলে চায়ের গুণমান নষ্ট হয়ে যায়।এর উপর আবার কয়লা পাওয়া যায় না। তাই শুধু চা বাগানগুলির জন্য ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুতের যে লাইন বসানোর কথা ছিল, তা দ্রুত কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি শিলচরে একটি কয়লা ডিপো চালু করার অনুরোধ জানান। তাঁর কথায়, সমস্যা কী আর এই এক-দুই দিকে। ইউরিয়া নিয়েও তারা প্রায়ই সঙ্কটে ভোগেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়।

ডিজিটাল ইন্ডিয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে একসময় শ্রমিকদের মজুরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করতে বলা হয়েছিল। অধিকাংশ বাগান সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। কিন্তু ইন্টারনেট সংযোগ অধিকাংশ সময় মেলে না বলে তাদের আবার পুরনো পদ্ধতিতে ফিরতে হয়েছে। অনলাইনে বেতন-মজুরি মেটাবে কি, বাগানগুলির পক্ষে নিয়মিত বাধ্যতামূলক রিটার্ন জমা করা সম্ভব হচ্ছে না।

তাদের অন্যান্য দাবি-দাওয়ার মধ্যে রয়েছে, প্রতি বাগানে পিপিপি মডেলে এনআরএইচএম হাসপাতাল নির্মাণ, দশ বছরের জন্য আসাম অ্যাগ্রিকালচারাল ট্যাক্স মকুব ইত্যাদি। এ বারের বার্ষিক সাধারণ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা থেকে আগত টাই-র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রাজ বনসাল, সেক্রেটারি জেনারেল পিকে ভট্টাচার্য এবং বরাক ভ্যালি শাখার সচিব শরদিন্দু ভট্টাচার্য। বিএসএফ ডিআইজি এমএল গর্গ এবং আসাম রাইফেলসের কর্নেল নারায়ণ যাদব অতিথি হিসেবে মঞ্চে ছিলেন।

April 6: Barak Valley produced 48.78 million kilogram of tea last year. In comparision to 2017, the production increased by 3 percent. As regards price also, it was sold at 4.7 percent more rate than last year. In 2018, it yielded an average rate of Rs.124.23. However, Tea Association of India (TAI) is not regarding it as profitable. The rate of the materials required for tea production is increasing alarmingly. Compared to this, the rate of tea has not been hiked. So there is a great mismatch between the high rate of materials required for production of tea and the rate at which tea is sold. Tea producers have opined that if a balance is not made between the cost of production and selling rate, then good days for tea industry of this region will never come.

S. K. Tapadiya, Chairman of the Barak Valley Branch of Tea Association of India in its Annual General Meeting said that one of the greatest hurdle is the absence of the labourers. Both the permanent and temporary laboureres offten remain absent from work. So he said that it is high time now to rely more upon machines and less upon human beings. He expressed the view that it has now become difficult to sustain the gardens by tea production. The need of the hour is to adopt Green Tea or Orthodox tea leaving aside CTC Tea. In this regard, he stressed upon the declaration of the leased land as free-hold patta. He said that, if this could be done, then tea-tourism can be developed. In the free-hold patta land, water park can be developed or other crops can also be yielded.

The tea laboureres were shown a hope in the name of digital India and the management was compelled to deposit their salaries in the bank.As such, majority of the gardens made arrangement in this regard. However, as internet facilities often gets disrupted, so the management had no other way but to return back to the old mode of payment. The issue of disbursing salary through online mode was a tough task when even the basic function of submitting online returns could not be made due to poor connectivity.

Their main demands included to construct NRHM hospital in every garden by following the PPP model, to lift Assam Agricultural Tax for 10 years etc. Also present in the Annual General Meeting were Raj Bansal-Senior Vice President of TAI from Kolkata, Secretary General P.K. Bhattacharjee and Secretary of Barak Valley Branch Saradindu Bhattacharjee among others. DIG of BSF M.L. Garg and Colonel of Assam Rifles Narayan Yadav were present on the dias as special invitees.

Related Articles

4 Comments

  1. If u can publish in English also it will be helpful. I want to advertise my produce. Can u send me ur rates etc for understanding & perusal.

    1. Sir,
      Thanks for showing interest in our website. We have translated the news item into English. We are sending you the details in your email. Do stay besides us.

      Regards
      Team way2barak

  2. Gentlemen, A few aspects of the industry has been highlighted but a lot more critical problems/issues still remain. Will u publish an article if I send to you. Pls let me know.
    Thank you
    Anil Goenka
    Dilkhoosh T.E.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
Close
Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker