AnalyticsBreaking News

সন্তানেরা জানতই না, মৃত্যুর আগে মা-বাবা ছিলেন একতরফা রায়ে বিদেশি, হাইকোর্টে স্বস্তি
Historic judgement:Citizenship of deceased parents can now be proved in Tribunals-High Court

১৭ সেপ্টেম্বর : মৃত বিদেশি ঘোষিত ব‍্যক্তি বা সন্দেহজনক বিদেশি বা ডি ভোটারের সন্তানরা এ বার তাদের মা-বাবার মামলার পক্ষ হয়ে তাদের মা-বাবার নাগরিকত্বের পক্ষে জবাব ও সাক্ষ‍্য প্রদানের মাধ্যমে শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। এক রায়ে গৌহাটি হাইকোর্ট এ কথা জানিয়েছে।

করিমগঞ্জ জেলার পাথারকান্দি থানাধীন বান্দরকোনা (এরালিগুল) গ্রামের বাসিন্দা হেলাল উদ্দিনের মা ও বাবা ১৯৯৭ সালে ডি ভোটার হোন। পরবর্তীতে ২০১১ সালে তাঁর বাবা সুনহর আলি মারা যান এবং ২০১৭ তে মা মজিদা খানমও প্রয়াত হন। তাদের বিরুদ্ধে মামলা শুরু হয় ২০১৫ ও ২০১৬ সালে। কিন্তু ২০১৭ তে সুনহর আলিকে একতরফাভাবে বিদেশি ঘোষণা করা হয়। এরপর মজিদা খানমের নামেও ২০১৮ সালে বিদেশি নোটিশ ইস‍্যু হয়।

এ দিকে, হেলাল উদ্দিনের নাম এনআরসির প্রথম খসড়ায় ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সম্পূর্ণ খসড়ায় তাঁর নাম বাদ পড়ে যায়। তাঁর ভাইদের নামও খসড়া থেকে বাদ যায়। অথচ তাঁরা বিষয়টি জানতেন না। চূড়ান্ত খসড়া প্রকাশের আগে যখন তদন্ত হয়, তখনই তিনি জানতে পারেন যে, তাঁর বাবা ঘোষিত বিদেশি।

খোঁজ নিয়ে তাঁরা মায়ের মামলার কথাও জানতে পারেন। দুটি মামলার ক্ষেত্রেই হেলাল উদ্দিন তাঁর আইনজীবী শিশির দে-র মাধ্যমে আবেদন করেন, যাতে তাঁকে মামলায় অংশ নিয়ে মা-বাবাকে ভারতীয় প্রমাণ করার সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু ট্রাইব্যুনাল তাঁর আবেদনে সাড়া দেয়নি।

এ দিকে, এরপরই হেলাল উদ্দিন হাইকোর্টের আইনজীবী ওলিউল্লাহ লস্করের মাধ্যমে রিট পিটিশন (সিভিল) নম্বর ৪৯৫০/২০১৮ দাখিল করেন। এর দেড় মাসের মধ্যেই গৌহাটি হাইকোর্ট গত ৬ সেপ্টেম্বর রায় ঘোষণা করে। ” এতে হাইকোর্ট হেলাল উদ্দিন কে তার ভাই-বোন সহ ট্রাইবুনেলে দরখাস্ত সহ তার মা বাবার বিরোদ্ধের মোকদ্দমায় জবাব দিয়ে পক্ষভুক্ত হতে বলে ” তাছাড়া ট্রাইব্যুনালকে দুটি মামালারই বিচার দু’ মাসের মধ্যে শেষ করতে বলে। এতে মৃত ব্যক্তির ছেলেমেয়েদের তাদের মা-বাবার নামে বিদেশি মামলার নিষ্পত্তির সুযোগ হল।

এরকম বহু বিদেশি মামলা অসমের একাধিক ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে রয়েছে, যার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে তিনি মারা গেছেন । তাছাড়া একতরফা রায়ে বিদেশি নাগরিক হিসেবে ঘোষিত ব‍্যক্তি মারা গেলেও সমস্যার সৃষ্টি হয়। জীবিত থাকার সময় নোটিশ পাননি এবং বিদেশি ঘোষিত রায়ের ব‍্যাপারেও জানতেন না।এনআরসি-র আগে এর পরিণতি বোঝা যায় নি।কিন্তু যখন ডি ভোটার বা ঘোষিত বিদেশি এবং তাদের সন্তানদের নাম ড্রাফ্ট এনআরসি-তে আসেনি, তখনই সমস‍্যার শুরু।

বিদেশি মামলায় অভিযুক্ত বা অপর পক্ষ জীবিত থাকলে তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে পারতেন। কিন্তু যারা মারা গেছেন, এতদিন তাদের সন্তানদের সেই পথ বন্ধ ছিল। তারা তাদের মা-বাবাকে বিদেশি তকমামুক্ত করার সুযোগ পাচ্ছিলেন না। বিদেশি ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্ত ছাড়া অন‍্য কাউকে অভিযুক্তের হয়ে দরখাস্ত, জবাব এবং সাক্ষ‍্য প্রমাণ দেওয়ার সুযোগ দেয়নি। এই রায়ের পর যে সকল ব্যক্তি ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে মামলা চলাকালীন বা একতরফা রায় হওয়ার পর মারা গেছেন, তাদের ছেলেমেয়েরা মৃত মা-বাবার নাগরকত্ব প্রমাণের সুযোগ পাবেন।

এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আইনজীবী শিশির দে জানিয়েছেন, হাইকোর্টের এই রায়ের খবর সবস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছানো উচিত। এতে অনেক পরিবার স্বস্তি পাবে। তাছাড়া আইনজীবীদেরও বিষয়টি জানা উচিত। হাইকোর্টের আইনজীবী ওলিউল্লাহ একইভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় বলেছেন, রাজ্যের সব ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল হাইকোর্টের এই রায় মানতে বাধ্য। তাছাড়া মামলা চলার সময় যাদের মা-বাবা মারা গিয়েছেন, বা একতরফাভাবে বিদেশি ঘোষণা করা হয়েছে, তাদের ছেলেমেয়েরা এখন মৃত মা-বাবার নাগরিকত্ব প্রমাণ করার সুযোগ পাবেন।

September 17: In a historic judgement passed by Gauhati High Court, it was stated that people whose parent(s) died during proceeding or after an exparte declaration that they are foreigners shall be given a chance to prove citizenship of their deceased parents. This judgement is historic in the sense that it would definitely provide an opportunity to the children of the deceased to prove their parents as Indian nationals and thereby would also in turn enable them to enlist themselves also as Indians.

In the year 1997, the parents of one Helal Uddin, a resident of Bandarkona (Eraligul) under Patharkandi Police Station of Karimganj district were declared as ‘DVoters.’ Later on, in the year 2011, his father Sunher Ali died and in 2017, his mother Majida Khanam expired. However, in 2017, Sunher Ali was declared a foreigner in an ex parte judgement. After that in 2018, foreigners notice was also issued in the name of Najida Khanam.

On the otherhand, the name of Helal Uddin was included in the first draft of NRC. But his name was deleted from the final draft of NRC issued on 30 July 2018. The names of his brothers were also left out from the final draft. However, they were unaware of this fact. It was only during the investigation before the publication of the final draft of NRC, that they came to know that their father was declared as a foreigner. Later on, they also came to know about the case of their mother. In both the cases, Helal Uddin allpied through his advocate Sishir Dey, to be allowed to be a party to the case, so that he can get an opportunity to prove that his parents were citizens of India. But the Tribunal did not respond to his prayer.

It was then that Helal Uddin through his advocate Oliullah Laskar filed a writ petition (civil) No. 4950/2018 in Gauhati High Court. It was after that the Gauhati high Court gave its verdict on this writ petition on 6 September. In the said judgement, the High Court has directed the Tribunal to give response to the appeal filed by Helal Uddin, his brothers and his sister. Further the Tribunal was also directed to complete the trial of both the cases within two months. This historic judgement by Gauhati High Court has given an opportunity to the wards of the deceased to prove that their parents were Indians and thereby enable them to dispose off the case.

There are numerous such cases pending before the Foreigners Tribunal in Assam wherein those declared foreigners have already expired. Apart from that, problems also arise when those persons die who were declared foreigner on an ex parte judgement. Their irony is that, when they were alive they did not get any notice and moreover, they even did not know that they were declared foreigners. These issues came to light only when the issue of NRC came up. It was when the names of the wards of declared foreigners or D Voters were not there in the final draft of NRC, than they came to know about the verdict of the Tribunals regarding their parents.

Those declared foreigners or D Voters could move the judiciary only if they were alive. But in case of the death of any declared foreigner or D Voter, his/her wards were not permitted to approach the judiciary to prove that his/her parents were Indian citizens. Anybody else other than the accused had no right to appeal, give testimony or reply on behalf of the declared foreigner in the Foreigners’ Tribunal. However, after this judgement of the Gauhati High Court, those who have died after ex parte judgement of the Tribunal, their wards can now get the chance to prove the citizenship of their deceased parents.

Advocate Sishir Dey through social media conversation has informed that the news of this verdict of the Gauhati High Court should reach all and sundry, especially the advocate community. This information would be of great relief to many families. While speaking to way2barak, Advocate Oliullah Laskar said that this judgement of Gauhati High Court shall be binding upon all Foreigners’ Tribunal in Assam. In any similar instance as that of Hilal Uddin, the wards of the deceased declared foreigner or D Voter can apply before the Tribunal with a copy of the judgement of the High Court. He also regarded this judgement as historic and hoped that it would alleviate the distress of many.

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
Close
Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker