NE UpdatesAnalyticsBreaking News
বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর : শুক্রবার শিলচর সহ রাজ্যের ৬টি স্থানে সম্পূর্ণ সঙ্গীত পরিবেশন

গুয়াহাটি, ৬ নভেম্বর : “কংগ্রেসের তুষ্টিকরণের রাজনীতিতেও রেহাই পায়নি জাতীয় সংগীত। ১৯২৩ সালের কাকিনাড়া অধিবেশনে মৌলানা মোহাম্মদ আলি জিন্নাহর বিষোদগারের পরই জাতীয় সংগীতের মর্যাদায় সম্পূর্ণ পরিবর্তন আসে। বিশেষত, গানটির মাত্র চারটি লাইন পরিবেশনের প্রথা শুরু করে কংগ্রেস দল”—এই অভিযোগ করেন প্রদেশ বিজেপি সভাপতি দিলীপ শইকিয়া।
‘বন্দে মাতরম’ গানটির ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিজেপি এই গানটি সম্পূর্ণভাবে সমবেত পরিবেশনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এই প্রসঙ্গে বাইহাটা চারিআলিতে এক সংবাদ সম্মেলনে দিলীপ শইকিয়া অভিযোগ করেন, তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতি মোহাম্মদ আলি জিন্নাহই সনাতনী সভ্যতার অনুভূতি থাকার কারণে ‘বন্দে মাতরম’ সংগীতটি বন্ধ করে দেন। এর বিপরীতে এই প্রথা বন্ধ করার প্রতিবাদে শাসক বিজেপি দল শুরু করেছে সম্পূর্ণ ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশনের উদ্যোগ।
তিনি জানান, প্রথম পর্যায়ে গুয়াহাটি, ডিব্রুগড়, শিলচর সহ রাজ্যের ছয়টি স্থানে ৭ নভেম্বর সম্পূর্ণ ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশিত হবে। অন্যদিকে, ৯ তারিখে সব জেলা ও উপজেলায় সমবেতভাবে পরিবেশিত হবে পূর্ণাঙ্গ ‘বন্দে মাতরম’। প্রদেশ বিজেপি সভাপতি আরও বলেন, “পূর্ণাঙ্গ ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশন করে আমরা আবারও দেশমাতার সেবার জন্য সংকল্প গ্রহণ করব এবং প্রয়োজনে দেশমাতার সেবার জন্য মৃত্যুবরণ করতেও বিজেপি কুণ্ঠাবোধ করবে না। ভারতের বহু তরুণ স্বাধীনতা সংগ্রামী ব্রিটিশদের ফতোয়া উপেক্ষা করে ‘বন্দে মাতরম’ গেয়েছিলেন এবং যেখানে যেখানে এই গান গাওয়া হয়েছিল, সেখানকার লোকদের গ্রেফতার করা হয়েছিল।”
তিনি আরও বলেন, “কিন্তু সেই সময়েও কংগ্রেসের একাংশ নেতৃত্ব ভয়ংকর ঘৃণা ছড়িয়ে দেয় যে, সম্পূর্ণ ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া উচিত নয়, শুধু প্রথম চারটি লাইন গাওয়া উচিত। কারণ ‘বন্দে মাতরম’-এ বহু দেবদেবীর উল্লেখ রয়েছে। কংগ্রেসের বিরুদ্ধে এমন অনেক অভিযোগ রয়েছে—যখনই দেশের স্বার্থে আওয়াজ উঠেছে, কংগ্রেস তখনই তার বিপরীতে অবস্থান নিয়েছে। এর এক জ্বলন্ত উদাহরণ হলো ‘বন্দে মাতরম’-এর মূল অংশ বাদ দেওয়া।”



