Barak UpdatesHappeningsBreaking News
আক্ষেপের মধ্যেই শিলচরে এক অনুষ্ঠানে তিন গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

ওয়েটুবরাক, ১৮ সেপ্টেম্বর: গতকাল বিশ্বকর্মা পূজার সন্ধ্যায় বার্ষিক মিলনোৎসবের আয়োজন করে নতুন দিগন্ত প্রকাশনী। এই অনুষ্ঠানে তাদের প্রকাশিত তিনটি গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অমিত সিকিদারের লেখা ‘শিলচর: সেই সময়’ উন্মোচন করেন আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক তপোধীর ভট্টাচার্য। আশুতোষ দাসের ‘সৃষ্টি বাউলের আত্মকথা’ উন্মোচন করেন ভাষাসৈনিক সুনীল রায়। আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পার্থঙ্কর চৌধুরী ও সাহিত্যিক কল্লোল চৌধুরী উন্মোচন করেন মিতা দাস পুরকায়স্থের লেখা ‘দেশকাল দিগন্ত’। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএসএফের ডিআইজি কমিউনিকেশনস কমল কুমার, অধ্যাপক বিভাস দেব, কবি বর্ণশ্রী বক্সী, গল্পকার ঝুমুর পাণ্ডে, জনসংযোগ বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সঞ্চালক হারাণ দে ও কবি বিষ্ণু দে। অনুষ্ঠানে স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন ফরিদা পারভীন, পরিমল কর্মকার ও জয়ন্তী কর্মকার, জিতেন্দ্র নাথ, মহাজির হোসেন চৌধুরী, সুপ্রভা রাজকুমারী, রণতোষ দে, রাজীব ঘোষ, চন্দ্র কুমার গোয়ালা ও ব্রহ্মাকুমারী শেলী। সঙ্গীত পরিবেশন করেন মঙ্গলা নাথ, শ্রাবণী সরকার ও শ্রেয়া দত্ত।
প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক তপোধীর ভট্টাচার্য বলেন, “নতুন বই বেরোলে শিশুর মতো আনন্দ বোধ করি। আমরা যে সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে বেঁচে আছি, এ সবই এর প্রমাণ। ” পাশাপাশি তিনি আক্ষেপের সুরে বলেন, কিন্তু মানুষ বই না পড়লে কার জন্য লেখা! বিপণন ছাড়া তো বইয়ের প্রকাশনাও টিকে থাকতে পারবে না।
গ্রন্থকার আশুতোষ দাস বলেন, “এই অঞ্চলে অগ্রজরা এত কাজ করে গিয়েছেন যে, আমাদের একে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব রয়েছে।” তাঁর কথায়, এই অঞ্চলে সাহিত্যের এত কাজ হয়েছে, কিন্তু মূল্যায়ন হয়নি সেভাবে।
অমিত সিকিদার তাঁর বই সম্পর্কে বলেন, “একটা সময়কে ধরে রাখার চেষ্টা করেছি। মালুগ্রামে ৭০ বছর বসে থেকে যা দেখেছি, তাই লিখেছি। ” এদিনের অনুষ্ঠানের মূল আয়োজক তথা প্রকাশক মিতা দাস পুরকায়স্থ জানান, তাঁর এই বই ‘বরাকের নতুন দিগন্ত’ পত্রিকার সম্পাদকীয় সংকলন।মিনারা বেগম মজুমদারের আবেগঘন বক্তব্য, মানুষের মৃত্যু হয়, লেখকের মৃত্যু হয় না। এছাড়াও বক্তৃতা করেন হারাণ দে, কস্তুরী হোম চৌধুরী, বিষ্ণু দে, সন্দীপ আচার্য প্রমুখ।



