Barak Updates

রাতাবাড়িতে সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে তরুণীর দেহ উদ্ধার, ধৃত ২

ওয়েটুবরাক, ৩০ জুন: রাতাবাড়ি থানার চান্দমারি গ্রামে এক বসতবাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে হাইলাকান্দি জেলার এক তরুণীর পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। পুলিশের অনুমান, অপরাধ করে প্রমাণ লোপাট করতে তরুণীকে সেপটিক ট্যাঙ্কের ভেতরে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বাড়ির মালিক আবুল হোসেনকে আটক করার পর, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে লক্ষীপুর থেকে আরও এক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 চান্দমারি গ্রামের একটি বাড়ি থেকে আচমকা তীব্র দুর্গন্ধ বেরোতে থাকে। এর উৎস খুঁজতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের নজর যায় বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কটির দিকে। খবর পেয়ে রাতাবাড়ি থানার ওসি চিত্তরঞ্জন বরা, রামকৃষ্ণনগরের সিডিএসপি আনসুল শর্মা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে তরুণীর গলিত দেহটি উদ্ধার করে।

 বাড়ির মালিক আবুল হোসেনকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ মৃতার পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। তাঁর নাম মমতা বেগম মাঝারভূইয়া। তিনি পার্শ্ববর্তী হাইলাকান্দি জেলার কাজিরকোণা, বাঁশডহর প্রথম খণ্ড এলাকার বাসিন্দা। তবে তরুণীর বয়স নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি।

প্রাথমিক তদন্তে অনুমান করা হচ্ছে, ১০-১২ দিন আগে ওই তরুণীকে হাইলাকান্দির নিজস্ব এলাকা থেকে কোনও এক প্রলোভন দেখিয়ে বা ফুসলিয়ে রাতাবাড়ির চান্দমারি গ্রামে নিয়ে আসা হয়েছিল। ধৃত বাড়ির মালিক আবুল হোসেনের স্ত্রী তার সন্তানদের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বাবার বাড়িতে থাকার সুযোগে ফাঁকা ঘরে তরুণীকে এনে আটকে রাখা হয় এবং পরবর্তীতে নির্মমভাবে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলে দেওয়া হয়।

সেই সূত্র ধরেই কাছাড়ের লক্ষীপুর পুলিশের সহযোগিতায় আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়। তবে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ ধৃত দ্বিতীয় ব্যক্তির নাম, পরিচয় বা এই হত্যাকাণ্ডে তার ভূমিকা এখনই মুখ খুলতে চাইছে না।

 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
Close
Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker