NE UpdatesBarak UpdatesHappeningsBreaking News
রবিবারই শুরু, দুইদিকের কাঞ্চনজঙ্ঘা চলবে পাহাড় লাইনে

ওয়েটুবরাক, ২৮ জুনঃ ধসে পড়া পাথর-মাটির এক ইঞ্চিও যখন ট্র্যাক থেকে সরেনি, তখন জাটিঙ্গা লামপুর স্থিত ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে লামডিঙের ডিআরএম বলেছিলেন, রবিবার ট্রেন চালানো সম্ভব হবে। তাঁর এই দাবির যথার্থতা নিয়ে শনিবার দুপুর পর্যন্ত সংশয় থাকলেও সন্ধ্যা হতেই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয় যে, রবিবারই যাত্রীবাহী ট্রেন চালানো হবে পাহাড় লাইনে। এ দিক থেকে যাবে সাব্রুম-আগরতলা-শিয়ালদহ কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। পরেরটি আসবে ও দিক থেকে। তাও কাঞ্চনজঙঘা এক্সপ্রেস। সেটি শিয়ালদহ-শিলচর কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। এই দুই যাত্রীবাহী ট্রেন নির্বিঘ্নে ধস-স্থল পেরিয়ে গেলে সোমবার থেকে সব ট্রেন রুটিন মেনে চলাচল করবে বলে রেলসূত্র জানিয়েছেন।
ওই সূত্র বলেন, শিয়ালদহগামী ট্রেনটি বেলা একটায় বদরপুর থেকে ছাড়বে। অন্যদিকে, শিয়ালদহ-শিলচর ট্রেন গুয়াহাটি থেকে বেলা ২টা ৫৫ মিনিটে রওয়ানা হবে। লামডিঙ থেকে ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে। রেলকর্তারা আশাবাদী, কোনও ধরনের বিপত্তি ছাড়াই ট্রেন দুটি পাহাড় পেরিয়ে স্বাভাবিক ট্রেন চলাচলের সবুুজ সংকেত দেবে। এ দিন একটি রঙ্গিয়া-আগরতলা বিশেষ ট্রেনও চালানো হবে।
গত সোমবার জাটিঙ্গা লামপুর স্টেশনের কাছাকাছি এলাকায় পাহাড় লাইনে ধস পড়লে এক সপ্তাহ ধরে রেললাইনে বিচ্ছিন্ন বরাক উপত্যকা, ত্রিপুরা ও মিজোরাম। রবিবার থেকে ট্রেন চালানোর খবরে উত্তর-পূর্বের বৃহত্তর অঞ্চলের মানুষের মধ্যে স্বস্তি মেলে। রেলসূত্র জানিয়েছেন, ধসস্থলে দিনে-রাতে চলছে, যাতে রবিবার সাফল্য মেলে। তবে যাত্রী়ট্রেনের আগে রবিবার কয়েকটি মালগাড়ি চালানো হবে। সেই সুযোগে ত্রিপুরা ও বরাক উপত্যকার জন্য বেশ কয়েকটি পেট্রল ট্যাঙ্কার ও চালের ওয়াগন পৌঁছে দেওয়া যাবে বলে আশা করছেন তাঁরা। এ ছাড়া, ধর্মনগর গামী একটি পুল ওয়গন রাস্তায় আটকে রয়েছে। সেটিকেও কাল গন্তব্যে পৌছানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সূত্র জানান।



