India & World UpdatesHappeningsBreaking News
সন্ত্রাসবাদ নয়, আমরা পাকিস্তানে স্থিতিশীলতা চাই, বললেন ভারতের সেনাপ্রধান

ওয়েটুবরাক, ৯ মার্চ: “পাকিস্তান নিজেদের খোঁড়া গর্তেই পড়েছে”, দাবি করলেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। তিনি বলেন, “সবাই জানে জম্মু ও কাশ্মীর কাদের।”
ইন্ডিয়া টুডে কনক্লেভ ২০২৫-এর দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানের সূচনায় ছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল দ্বিবেদী। ভারতের নিরাপত্তা, প্রতিবেশী চিন ও পাকিস্তান, পাক অধিকৃত কাশ্মীর প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কথা শোনান।
জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, “সন্ত্রাস মুক্ত করতে পাকিস্তানের পক্ষে কোনও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাই ভারতীয় সেনাবাহিনীকে সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হয়। আজ লক্ষ লক্ষ পর্যটক জম্মু ও কাশ্মীরে যাচ্ছেন, যেখানে একসময় সন্ত্রাসবাদে ডুবে ছিল। আমরা সন্ত্রাসবাদ থেকে পর্যটনে যাত্রা করেছি। জম্মু ও কাশ্মীরে বিপুল সংখ্যক সন্ত্রাসবাদীকে হত্যা করেছে ভারতীয় সেনা। কিন্তু তাদের তরফে সন্ত্রাস দমনে উদ্যোগ নেই।”
জেনারেল দ্বিবেদীর দাবি, “আমরা পাকিস্তানে স্থিতিশীলতা চাই, সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্রস্থলে পরিণত হোক, তা নয়।”
চিনের সঙ্গে কখনও যুদ্ধ হলে ভারত কতটা প্রস্তুত, এই প্রশ্নের জবাবে জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, “ভারতীয় সেনাবাহিনী দ্রুত নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করছে। ভারত ড্রোন প্রযুক্তি সহ প্রতিটি উন্নয়নশীল প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে। আমাদের কাছে ড্রোন আছে যা একে-৪৭, মিসাইল ছুড়তে পারে। চিন থেকে ড্রোন হামলা হলে ভারতও পাল্টা আক্রমণের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। আদতে আমরা প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুরোপুরি প্রস্তুত।”
জেনারেল দ্বিবেদী স্পষ্ট বলেন, “চিনকে ভরসা করা যায় না।” তাঁর দাবি, যুদ্ধ কোনও দেশের স্বার্থে হয় না, তবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে ভারতীয় সেনাবাহিনী তার কৌশল এবং শক্তি অনুসারে পূর্ণ প্রস্তুতির সঙ্গে জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে।
২০২০ সালে পূর্ব লাদাখের ডেপসাং এবং ডেমচোকে ভারত ও চিনের সেনা জওয়ানদের মধ্যে সংঘর্ষের পরে বর্তমান পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক বলে জানিয়েছেন তিনি। “যখনই প্রয়োজন হয়, উভয় দেশের সেনাবাহিনী আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করে।”
এছাড়াও, বাংলাদেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ নিয়ে আমরা এত তাড়াতাড়ি কিছু বলতে পারব না। সেনাবাহিনীর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুব শক্তিশালী। ওখানে নির্বাচন হয়ে নতুন সরকার না এলে কিছুই বলা যায় না। সন্ত্রাসবাদ আমাদের প্রতিবেশী যে কোনও দেশে হলে চিন্তার বিষয়।”



