Barak UpdatesHappeningsBreaking News
কাল বঙ্গভবনে ঈদ মিলনোৎসব সন্ধ্যা

ওয়েটুবরাক, এপ্রিল ২৫: আগামীকাল রবিবার শিলচর বঙ্গভবনে এক বর্ণাঢ্য ঈদ মিলনোৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। ‘ঈদ সম্মিলনী উদযাপন কমিটি’র সভাপতি তৈমুর রাজা চৌধুরী, কার্যকরী সভাপতি সিহাবউদ্দিন আহমেদ জানান, এই মিলনোৎসবে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক রাজীবমোহন পন্থ। সম্মানিত অতিথি স্টার সিমেন্টের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার গালিব ফায়েদ আয়ুব ও বরাক ভ্যালি সচিবালয়ে কর্মরত যুগ্ম সচিব ড. খালেদা সুলতানা আহমেদ।
সাংবাদিক সম্মেলনে তৈমুর রাজা চৌধুরী, সিহাবউদ্দিন আহমেদ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাজুদ আহমেদ লস্কর, প্রাক্তন সভাপতি মিলনউদ্দিন লস্কর, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইকবাল বাহার লস্কর ও প্রচার সম্পাদক সোহান আহমেদ স্বপ্নিল। তাঁরা বলেন, বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ঈদের পরপরই মিলনোৎসবের আয়োজন করা যায়নি। তাই একটু দেরিতে তা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। তবে এই বছরটি ঈদ মিলনোৎসব উদযাপন কমিটির সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষ বলে অনুষ্ঠানটিকে বিশেষ ভাবে সাজানো হয়েছে।

সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষের ঈদ মিলনোৎসবের বিস্তারিত অনুষ্ঠানসূচি প্রকাশ করে সভাপতি তৈমুর রাজা চৌধুরী বলেন, তিনটি পর্বে পরিবেশিত হবে এই মিলনোৎসব। সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে ‘পরশমণি’তে পবিত্র কোরাণ পাঠ করা হবে, সঙ্গে শোনানো হবে এর বাংলা অনুবাদ। ৬টা ৪৫ মিনিট থেকে দ্বিতীয় পর্ব ‘সম্মাননা’। এই পর্বেই উপাচার্য অধ্যাপক রাজীবমোহন পন্থের হাতে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হবে। সঙ্গে ছয়জনকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হবে। সমাজে তাঁদের ইতিবাচক অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এবার সম্মানিত করা হবে শিক্ষাবিদ-আইনজীবী মকব্বীর আলি বড়ভুইয়া, আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-নিবন্ধক ড. আবুল হাসান চৌধুরী, বিশিষ্ট চিকিৎসক অরুণ কুমার শিপানি, জেলা ক্রীড়া সংস্থার প্রাক্তন সভাপতি বাবুল হোড়, অবসরপ্রাপ্ত ক্রীড়া আধিকারিক বদরউদ্দিন মজুমদার এবং কণ্ঠশিল্পী মঞ্জুশ্রী দাসকে।
আয়োজকরা আশা করছেন, একঘণ্টায় ‘সম্মাননা’ শেষ হয়ে ৭টা ৪৫ মিনিটে শুরু হয়ে যাবে তৃতীয় পর্ব ‘ঈদের সওগাত’। তাতে শাহ আব্দুল করিমের গান সহ আঞ্চলিক লোকসঙ্গীতের ডালি নিয়ে আগরতলা থেকে আসছেন বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী উত্তমকুমার সাহা। বাংলা গজল, মুর্শিদি, মারিফতি, ভক্তিমূলক ইসলামী সঙ্গীত, ঈদের গান পরিবেশন করবেন এই অঞ্চলের জনপ্রিয় শিল্পী বিধান লস্কর ও সম্প্রদায়, তাহেরা বেগম লস্কর, সঞ্জীব দাস ও মৌসেকা কয়েস লস্কর।
একে সফল করে তোলার আহ্বান জানিয়ে কমিটির প্রাক্তন সভাপতি মিলনউদ্দিন লস্কর বলেন, অনুষ্ঠানের কোনও পর্বেই কোনও টিকিট বা প্রবেশপত্রের ব্যাপার নেই। ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সকলের প্রবেশ অবাধ।


