Barak UpdatesHappeningsBreaking News

নরসিং উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিধায়ক রাজদীপ গোয়ালাকে সংবর্ধনা 

'নিযুত মাইনার'ও আবেদনপত্র বিলি

ওয়েটুবরাক, ৯ আগস্ট: পিএমশ্রী নরসিং উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্থানীয় তথা উধারবন্দ বিধানসভা সমষ্টির নবনির্বাচিত বিধায়ক রাজদীপ গোয়ালাকে গত শনিবার সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। একই অনুষ্ঠানে আসাম সরকারের “নিযুত মাইনা আচনির” মাধ্যমে ছাত্রীদের অর্থ সাহায্যের আবেদন পত্রও বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে ছিলেন কাছাড় জেলার স্কুল পরিদর্শক মিঠুন জহুরি। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন স্কুলের প্রাক্তন অধ্যক্ষ রতন পাল, স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক তথা সারা আসাম উচ্চতর মাধ্যমিক এবং কর্মচারী সংস্থার প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি কৃষ্ণেন্দু রায়, স্কুল পরিচালন সমিতির সদস্য অঞ্জন শুক্লবৈদ্য, বিজেপির মণ্ডল সভাপতি পুলক দেব, স্কুলের শিক্ষা – বিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই শিক্ষিকা ড: কংকনা দাশ এবং অপর্ণা চক্রবর্তী।

প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। ‘দীপ-মন্ত্র’ উচ্চারণ করেন বিদ্যালয়ের সংস্কৃতের বিষয় শিক্ষিকা মুন্না দাস। তারপর শিক্ষিকা সংগীতা দাসের তত্ত্বাবধানে স্কুলের ছাত্রীরা উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশন করে। আমন্ত্রিত অতিথিদের হাতে উপহার হিসেবে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। স্কুলের ছাত্রীরা একটি রবীন্দ্র নৃত্য পরিবেশন করে।

মূল কার্যক্রমের প্রারম্ভে সভার উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেন ড: কংকনা দাশ। উপস্থিত গুণীজনেরা তাঁদের বক্তব্যে এই শতাব্দীপ্রাচীন স্কুলের অতীতের ইতিহাস তুলে ধরেন। পদ্মশ্রী কবীন্দ্র পুরকায়স্থ, দিল্লীর জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য প্র‍য়াত বারীদবরণ ভট্টাচার্যের মত বিখ্যাত ব্যক্তি এই স্কুলের শিক্ষক কিংবা ছাত্র ছিলেন। বক্তারা এমন অনেকের কথা স্মরণ করেন। স্কুল যে বর্তমানেও আসামের শিক্ষাজগতে একটি উল্লেখযোগ্য নাম এই তথ্যও তাঁরা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি স্কুলের উন্নতির জন্য বিভিন্ন পরিকাঠামোগত পদক্ষেপেরও দাবি জানানো হয় বিধায়কের কাছে।

 মুখ্য অতিথি রাজদীপ গোয়ালা তাঁর ভাষণে সিলেবাসের পড়াশোনার সঙ্গে স্কিল ডেভেলপমেন্টও যে সমান গুরুত্বপূর্ণ, সে কথা ছাত্র-ছাত্রীদের বোঝান। সে প্রসঙ্গে তিনি জাতীয় নতুন শিক্ষানীতির উল্লেখ করেন। স্কুলের সর্বাঙ্গীণ উন্নতির জন্য তার যতটুকু সাধ্য তিনি করবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দেন।

কাছাড়ের স্কুল পরিদর্শক মিঠুন জহুরি তাঁর বক্তব্যে ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন, পরিশ্রম এবং আত্মবিশ্বাসই একজন পড়ুয়াকে অর্ডিনারি থেকে এক্সট্রা-অর্ডিনারি করে গড়ে তুলতে পারে। বিদ্যালয়ের রসায়নের বিষয় শিক্ষক মৃণাল কান্তি দে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন বিদ্যালয়ের ইংরাজির বিষয়শিক্ষিকা পাপড়ি ভট্টাচার্য।

অনুষ্ঠানে অতিথিদের হাত থেকে উচ্চমাধ্যমিকের প্রথম এবং দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রীরা “নিযুত মাইনার” আবেদনপত্র গ্রহণ করে। পরে জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
Close
Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker