Barak UpdatesHappeningsBreaking News
জিসি-তে নিয়ামিট-এর সড়ক সুরক্ষা সচেতনতা

ওয়েটুবরাক, ২০ জানুয়ারি: শিলচরে সড়ক সুরক্ষা বিধি মোটেও মানা হয় না, দেশের বিভিন্ন স্থান ঘুরে এখানে এসে এমনটাই মনে হয়েছে পুনের অবসরপ্রাপ্ত রিজিয়নাল ট্রান্সপোর্ট অফিসার অনিল পান্তোজি। পুরনো ডেজিগনেশনে অবশ্য পান্তোজির পরিচয় যথাযথ হয় না। তিনি এখন সড়ক সুরক্ষা নিয়ে দেশব্যাপী সচেতনতা অভিযান করে চলেছেন।
জানুয়ারি জুড়ে সড়ক সুরক্ষা মাস পালনের জন্য ভারত সরকারের সড়ক পরিবহন বিভাগ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। উত্তর পূর্বাঞ্চলে সে সব পালনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ভারি শিল্প মন্ত্রকের ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউশন ফর অটোমোটিভ ইন্সপেকশন মেইনটেন্যান্স অ্যান্ড ট্রেনিং’ (নিয়ামিট)-কে। এরই অঙ্গ হিসেবে সোমবার শিলচরে গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেক্ষাগৃহে অনুষ্ঠিত হয় ‘রোড সেফটি অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রাম’। সেখানেই প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অনিল পান্তোজি। তিনি বিস্ময়ের সুরে মন্তব্য করেন, “এখানে
রাস্তায় দেখলাম, যে কোনও দিক থেকে গাড়ি আসছে। মাঝপথে গরু ঘুরে বেড়াচ্ছে।”
গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের এনএসএস সেল এবং এনসিসি ইউনিটের সহায়তায় নিয়ামিট আয়োজিত ওই প্রোগ্রামে মূল দর্শক-শ্রোতারা ছিল বাণীকান্ত পুরস্কার হিসেবে যারা স্কুটি পেতে চলেছেন, সেই সব পড়ুয়ারা।
পান্তোজি তাদের সতর্ক করে দেন, স্কুটি-বাইক চালানোর সময় রাস্তাতেই মনোযোগ দিতে হবে। পেছনে বসলে চালকের সঙ্গে কথা বলবে না। গাড়িতে বসলেও ওই একই কথা প্রযোজ্য।
সড়ক সুরক্ষা মাসের সচেতনতা সভায় সেদিন বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক রেজিস্ট্রার ড. অভিজিৎ নাথও। রাস্তায় যানবাহন চালানোর সময় নিজের প্রাণ ও পরিজনদের কথা মনে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন নিয়ামিট-এর সাইট হেড ড. অনিন্দ্য বিজয় পাল। তিনি বলেন, গতির প্রতিযোগিতায় প্রতিদিন মানুষ মারা যাচ্ছেন। অথচ একটু সতর্ক হয়ে নিয়ম মেনে চললে ওইসব দুর্ঘটনা ঘটে না। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়াদের ‘সেফার ড্রাইভার’ হতে আহ্বান জানান। আজকের সভায় সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন সৌরভ ভট্টাচার্য ও পার্থ সমাদ্দার । অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এগজিকিউটিভ অ্যাকাউন্ট অমিতাভ পাল, রাজা চৌধুরী, নুপুর চৌধুরী প্রমুখ।



