Barak UpdatesHappeningsBreaking News

আর্য সংস্কৃতির বিজয়া সম্মেলন, কণাদের আবৃত্তিতে মুগ্ধ সবাই

ওয়েটুবরাক, ১৮ অক্টোবর: আর্য সংস্কৃতি বোধনী সমিতির উদ্যোগে ১৮ই অক্টোবর পালন করা হলো সমিতির ৪৯তম বার্ষিক অনুষ্ঠান “বিজয়া সম্মেলন”।  বন্দেমাতরম সংগীত ও ভারতমাতার প্রতিকৃতির সামনে দীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে সূচনা হয় অনুষ্ঠানের। সমবেত কন্ঠে গীত হয় সমিতি সংগীত। নৃত্যে গণেশ বন্দনা পরিবেশন করে পরিস্মিতা ঘোষ।

তারাপুর আর্য ভবনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ কণাদ পুরকায়স্থ, শিলচরের বিধায়ক দীপায়ন চক্রবর্তী এবং গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক বিদ্যুৎ পাল। তাদের উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করা হয়। উপহারস্বরূপ ফুলের চারা এবং শ্রীরাম মন্দির নির্মাণার্থে এ অঞ্চলের করসেবকদের ব্যক্তিগত অনুভূতি ও অভিজ্ঞতা সংবলিত ছোট্ট পুস্তিকা “করসেবকের ডায়েরি” তুলে দেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, এই আন্দোলনে ১৯৯০ সালে সমিতির প্রতিষ্ঠাতা মুখ্য সংযোজক গৌতম ভট্টাচার্য শামিল ছিলেন। তাঁর বিশেষ উদ্যোগে মুদ্রিত পুস্তিকাটি অতিথিবৃন্দের কাছে খুবই সমাদৃত হয়।

ওইদিনের এই সান্ধ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে একক সঙ্গীতে ছিলেন বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী কল্যাণী দাম,  সীমা পুরকায়স্থ, শর্মিষ্ঠা দাস চাকী, মাম্পি চৌধুরী, রত্নেশ্বর নাথ,  দেবারতি সেন, শিশুশিল্পী পূর্ণিমা দাস ও অনিমা ভট্টাচার্য। একক নৃত্যে ছিলেন নিবেদিতা দাস, পূজা গুপ্ত ও শিশুশিল্পী পরিণীতা দাস।

তিন অতিথিই বিজয়ার শুভেচ্ছা জানিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। আর্য সংস্কৃতি যে বিশেষ এক সংগঠন এবং এর কার্যধারা অন্যান্যদের চেয়ে আলাদা, এ কথা বিধায়ক চক্রবর্তী গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করেন। তাঁর কথায়, সময়ের জন্য সব কর্মসূচিতে যোগদান করতে না পারলেও আর্য সংস্কৃতির অনুষ্ঠানে আসার জন্য তিনি আগ্রহী থাকেন।

সমিতির সহ-সভাপতি নীলকন্ঠ চক্রবর্তীও প্রাসঙ্গিক বক্তৃতা করেন। তবে ওই দিনের অনুষ্ঠানে বাড়তি পাওনা ছিল সাংসদ কণাদ পুরকায়স্থের দরাজ কন্ঠে আবৃত্তি পরিবেশন। তিনি নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি আবৃত্তি করে সবাইকে মুগ্ধ করেন। গোটা অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সমর্পিতা ভট্টাচার্য চৌধুরী।

এই বিজয়া সম্মেলন আয়োজনের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন সম্পাদক দিব্যেন্দু কর সহ বেদব্রত বিশ্বাস, মৃণাল দেব, ত্রিয়াসা দাস,  প্রসেনজিৎ চক্রবর্তী,  সুদীপ পাল, বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য,  শেফালী রায়, পম্পা ভট্টাচার্য, বিশাল দাস, শিল্পী ভট্টাচার্য, পায়েল দাস প্রমুখ। জাতীয় সংগীত ও বিজয়ার মিষ্টিমুখ করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
Close
Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker