Barak UpdatesAnalyticsBreaking News
শিলচরের সেরা কালীপূজা কমিটিগুলিকে পুরস্কৃত করবে নেতাজি ছাত্র যুব সংস্থা

ওয়ে টু বরাক, ১৯ অক্টোবর : শিলচর শহর ও শহরতলির কালীপূজা উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে এবারও রোটারি ক্লাব অব গ্রেটার শিলচর ‘সেরা কালীপূজা কমিটি পুরস্কার ২০২৫” প্রদান করবে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নেতাজি ছাত্র যুব সংস্থা। এই প্রতিযোগিতা আয়োজনে সহযোগিতা করছে সাপ্তাহিক পত্রিকা যুব দর্পণ ও লায়ন্স ক্লাব অব শিলচর কেয়ার এবং টাইটাল স্পন্সর রোটারি ক্লাব অব গ্রেটার শিলচর.। আগামী ২৬ অক্টোবর অর্থাৎ রবিবার সন্ধ্যা ৬টায় শিলচরের গান্ধীভবন প্রেক্ষাগৃহে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বিশিষ্ট নাগরিক, জনপ্রতিনিধি,সাংবাদিক, সমাজসেবক, শিল্পী ও বিভিন্ন ক্লাবের প্রতিনিধিরা।
শিলচর ও আশপাশের ছোট, মাঝারি এবং বড় বাজেটের কালীপূজা কমিটিগুলির মধ্যে থেকে বিভিন্ন বিভাগগুলিতে সেরাদের নির্বাচন করা হবে। বিভাগের মধ্যে রয়েছে, শাস্ত্রীয় প্রতিমা ও মণ্ডপ, আধুনিক বা উদ্ভাবনী প্রতিমা ও মণ্ডপ, শৈল্পিক ও কাল্পনিক থিম, আলোকসজ্জা, পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ, আবহ ও সাংস্কৃতিক পরিবেশ, সামাজিক থিম উপস্থাপন, সৃজনশীলতা, নান্দনিকতা ও সামাজিক বার্তা প্রদান। এগুলোর মান বিবেচনা করে বিচারক মণ্ডলী সেরা পূজা কমিটিগুলিকে বাছাই করবেন।

এ বারের প্রতিযোগিতায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সমাজসচেতন থিমে। নেশামুক্ত সমাজ গঠন ও সড়ক নিরাপত্তা সচেতনতা বৃদ্ধি— এই দুই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে কেন্দ্র করে আলাদা দুটি বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করা হবে সেইসব পূজা কমিটিকে, যারা তাদের থিম বা মণ্ডপের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেবে।
নেতাজি ছাত্র যুব সংস্থার সাধারণ সম্পাদক দিলু দাস জানান, “সমাজে ক্রমবর্ধমান নেশার প্রবণতা এবং সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা উদ্বেগজনক। তাই পূজা উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে আমরা মানুষের কাছে সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিতে চাই। এ বছর থেকে পূজা মণ্ডপগুলো যেন সামাজিক বার্তা দেওয়ার মাধ্যম হয়ে ওঠে, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।”
তিনি আরও বলেন, “নেশামুক্ত সমাজ ও নিরাপদ সড়ক — এই দুটি লক্ষ্য অর্জনে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। পূজা কমিটিগুলির সৃজনশীলতা ও দায়িত্ববোধ সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।”
নেতাজি ছাত্র যুব সংস্থা গত ১৫ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে শিলচরে “সেরা কালীপূজা কমিটি” প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে। প্রতি বছরই শহরের বিভিন্ন পূজা উদ্যোক্তারা নতুনত্ব, শিল্পনৈপুণ্য এবং সামাজিক বার্তাসমৃদ্ধ থিমের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করে নিচ্ছেন। সংস্থার এই উদ্যোগের মাধ্যমে শুধু পূজা উদ্যোক্তাদের শ্রম ও নিষ্ঠাকে সম্মান জানানোই নয়, বরং সমাজের তরুণ প্রজন্মকে সচেতন, দায়িত্বশীল ও সমাজসেবামুখী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। প্রতিযোগিতা নাম নথিভুক্ত করতে হলে সংগঠনের সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে।



