Barak UpdatesTourism

আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালন

ওয়ে টু বরাক, ২৬ সেপ্টেম্বর : পর্যটন ও আতিথেয়তা ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আতিথেয়তা ও পর্যটন ব্যবস্থাপনা বিভাগে পালিত হল বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬। একাডেমিক আলোচনা, সাংস্কৃতিক এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণমূলক বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানের সূচনায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। পর্যটন ক্ষেত্রে পরিবেশ সংরক্ষণ ও স্থায়িত্বশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজের ডিন অধ্যাপক অরূপ বর্মন। তিনি পর্যটন ও আতিথেয়তা ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্রমবর্ধমান ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। পর্যটন পরিষেবা, আতিথেয়তা পরিচালনা এবং গ্রাহকদের অভিজ্ঞতায় নতুন প্রযুক্তির প্রভাব নিয়েও তিনি আলোচনা করেন।

মূল অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অধ্যাপক সঞ্জীব কুমার সাক্সেনা পর্যটনের গুরুত্ব এবং কোভিড-পূর্ব ও কোভিড-পরবর্তী সময়ে হোটেল শিল্পে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনগুলি তুলে ধরেন। এরপর অধ্যাপক এস এন বিশ্বাস, ড. প্রদীপ কুমার এবং ড. প্রণবেশ রঞ্জন চক্রবর্তী পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পের গুরুত্ব, বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বক্তব্য রাখেন।

উদযাপনের অঙ্গ হিসেবে রঙ্গোলি প্রতিযোগিতা, ‘অতিথি দেবো ভব’ পাজল প্রতিযোগিতা এবং আতিথেয়তা ও পর্যটন বিষয়ক কুইজের আয়োজন করা হয়। রঙ্গোলি প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা পর্যটন ও আতিথেয়তা-সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় রং ও শিল্পকর্মের মাধ্যমে তুলে ধরেন। ‘অতিথি দেবো ভব’ পাজল প্রতিযোগিতায় ২০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

আতিথেয়তা ও পর্যটন বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতার বিচারক ছিলেন আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আশুতোষ মুখোপাধ্যায় স্কুল অব এডুকেশনের ডিন অধ্যাপক অজয় কুমার সিং। বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। রঙ্গোলি প্রতিযোগিতায় জাহিদ ও বিকাশ বিজয়ী হন। ‘অতিথি দেবো ভব’ পাজল প্রতিযোগিতায় জয়ী হন জয়িতা ভট্টাচার্য। আতিথেয়তা ও পর্যটন বিষয়ক কুইজে বিজয়ী হন গুনিতা হিডাংমায়ুম, সঞ্জুক্তা দে এবং জাহিদ।

বিশ্ব পর্যটন দিবসের এই আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পর্যটন ও আতিথেয়তা ক্ষেত্র সম্পর্কে নিজেদের জ্ঞান, সৃজনশীলতা ও দক্ষতা প্রকাশের সুযোগ পান। একইসঙ্গে পর্যটন শিল্পের ভবিষ্যৎ গঠনে পরিবেশগত স্থায়িত্ব, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং দায়িত্বশীল পর্যটনের গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
Close
Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker