Barak UpdatesHappenings
সাড়ম্বরে জাতীয় ক্রীড়া দিবস পালন কাছাড় জেলা ক্রীড়া ভারতীর

ওয়ে টু বরাক, ১ সেপ্টেম্বর : জাতীয় ক্রীড়া দিবস উপলক্ষে কাছাড় জেলা ক্রীড়া ভারতী বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করে। উল্লেখ্য, হকির জাদুকর মেজর ধ্যানচাঁদকে সম্মান জানিয়ে তাঁর জন্মদিন জাতীয় ক্রীড়া দিবস হিসেবে পালিত হয় সারা দেশে।

গত ২৫ আগস্ট সর্বোদয় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কাবাডি ও লম্বা দৌড় প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উদযাপনের সূচনা হয়। মূল অনুষ্ঠান শিলচর সদরঘাট মিলন মন্দির হলে অনুষ্ঠীত হয়। দুপুর ২ টা থেকে শহর ভিত্তিক যোগাসন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে শতাধিক প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে। বিচারক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ড. বিভাস দে সঞ্জু নাথ। জননেন্তিকা ভট্টাচার্যের তত্ত্বাবধানে মহিলাদের মধ্যে মিউজিক্যাল চেয়ার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় ।
সন্ধ্যায় পুরষ্কার বিতরণী সভা অনুষ্ঠিত হয়। কাছাড় জেলা ক্রীড়া ভারতীর সভাপতি আইনজীবী শেখর পাল চৌধুরীর পৌরোহিত্যে অনুষ্ঠিত সভায় মুখ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিলচর পুর নিগমের কমিশনার সৃষ্টি সিং। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিলচর ডিএসএ-র সভাপতি শিবু দত্ত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জয় বরদিয়া, ক্রীড়া ভারতীর দক্ষিণ আসাম প্রান্তের সহ সম্পাদক পিংকু রঞ্জন পাল, কাছাড় জেলা ক্রীড়া ভারতীর সহ সভাপতি সুখময় দত্ত, প্রদীপ চক্রবর্তী, সম্পাদক বুদ্ধ সিনহা, কর্মকর্তা সঞ্জু নাথ, রক্ত দান আন্দোলনের অগ্রনী সৈনিক সুজয় নাথ, পিংকি মহন্ত, রুপালি দাস, জননেন্তিকা ভট্রাচার্য প্রমুখ।

ধ্যানচাঁদের প্রতিকৃতির সামনে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে সভার শুরু হয় । সৃজনী দেব উদ্বোধনী নৃত্য পরিবেশন করে। যোগা নিকেতনের ছাত্রছাত্রীরা যোগাসন প্রদর্শন করে। থান্টা প্রদর্শন করে সোনাই থান্টা অ্যাসোসিয়েশন। আমাদের অভিযান এনজিও-এর সদস্যারা যোগার মাধ্যমে নৃত্য পরিবেশন করেন। ত্রিশক্তি ক্লাবের সদস্যরা গণেশ বন্দনা পরিবেশন করেন। ধ্যানচাঁদের ওপর বক্তব্য রাখে কথাকলি পাল, অত্তোতমা নাথ, কস্তোভরাজ শিকদার, সৃজনী দেব, রুচি বরদিয়া।
এ দিন চারজন বিশিষ্ট ব্যাক্তিকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। তদের মধ্যে ছিলেন ওয়েট লিফটিং চ্যাম্পিয়ন ভাষ্কর দত্ত, ক্রীড়া সাংবাদিক সঞ্জয় রায়, জেলা ক্রীড়া সংস্থার ক্রিকেট সচিব নিরঞ্জন দাস এবং শ্রীভূমি জেলার জাতীয় যোগ বিচারক যোগবিদ সঞ্জীব দাস। সংবর্ধনা দেওয়া হয় দুই প্রবীন সাংবাদিক সুদীপ সিং ও হিমাংশু দেকে। অতিথিদের দ্বারা পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। পুরষ্কারগুলো হোমিও ডাক্তার বিধান সরকার তাঁর বাবা বিপিন বিহারী সরকারের স্মৃতির উদ্দেশ্যে দান করেন। সভাপতি শেখর পাল চৌধুরীর ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন পিংকু রঞ্জন পাল।


