Barak UpdatesHappeningsBreaking News
শ্রীভূমিরও বহু এলাকা প্লাবিত

ওয়েটুবরাক, ১ জুন : রবিবার লঙ্গাই নদীর জল কিছুটা কমলেও,কুশিয়ারার জল ক্রমে বাড়ছে। শ্রীভূমির বহু এলাকা প্লাবিত । জেলার বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন দুর্গত জনতা। জেলাশাসককে সঙ্গে নিয়ে বন্যাক্রান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল ।
তিনি পাথারকান্দি এবং দক্ষিণ করিমগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির খোঁজ নেন। কথা বলেন পীড়িতদের সঙ্গে। মন্ত্রী জানান, বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ বন্টনে যেন কোনও অনিয়ম না হয়। শিবিরে আশ্রিত সব বন্যাক্রান্তদের পর্যাপ্ত ত্রাণের ব্যবস্থা করতে বলেন তিনি। এদিকে কুশিয়ারা নদীর জল বিপদ সীমার উপর দিয়ে বইতে থাকায় শহরের টাউন কালীবাড়ি রোডে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন জল সম্পদ বিভাগকে।রবিবার জেলাসদরের নীলমণি নিম্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়,নীলমণি উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সরকারি উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও রবীন্দ্রসদন মহিলা কলেজে ত্রাণ শিবির খুলে দেওয়া হয়।
অন্যদিকে শহরের স্টীমারঘাট,দেওপুর,চরবাজার সহ নদীতীরবর্তী এলাকায় ছুটে গিয়ে বন্যাপীড়িতদের খোঁজ নেন জেলা বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুব্রত ভট্টাচার্য।জেলা সদরের ত্রাণ শিবির পর্যাপ্ত সামগ্রী পৌছে দিতে সদর সার্কেল অফিসার জাগৃতি কালোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।সাদারাশি জিপি’র মোহনগঞ্জ গ্রামের ভারত -বাংলা সীমান্তে কুশিয়ারা নদী ভাঙ্গন পরিদর্শন করে জেলা বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুব্রত ভট্টাচার্য তড়িঘড়ি বিএসএফ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বিভাগ ও জেলাপ্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য রবিবার দুপুর বারোটা পর্যন্ত কুশিয়ারা নদীর জলস্তর ছিল ১৫.৯৩( সে.মি ),জল বাড়ছে।অন্যদিকে লঙ্গাই নদীর জলস্তর ছিল ২৪.৯৮ (সে.মি) জল বাড়ছে।অন্যদিকে সিংলার নদীর জলস্তর ছিল ২০.৭৬৫(সে.মি),জল কমছে।অন্যদিকে বিকেল চারটায় কুশিয়ারা নদীর জলস্ফীতি ছিল ১৬.১৭(সে.মি) জল বাড়ছে।লঙ্গাই নদীর জলস্ফীতি ছিল ২৪.৯৬ (সে.মি) জল স্থিতাবস্থায় রয়েছে।অন্যদিকে সিংলা নদীর জলস্ফীতি ছিল ২০.৫৬৫ (সে.মি) জল কমছে।রবিবার রাত আটটায় কুশিয়ারা নদীর জলস্ফীতি ছিল ১৬.৩৩,জল বাড়ছে।লঙ্গাই নদীর জলস্ফীতি ছিল ২৩.৯৬ জল স্থিতাবস্থায় রয়েছে এবং সিংলা নদীর জলস্ফীতি ছিল ২০.৩৬৫ জল কমছে।



