৩০ ডিসেম্বরঃ কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন ও ফেডারেশনগুলি যৌথভাবে আগামী ৮ ও ৯ জানুয়ারি ভারত বনধের ডাক দিয়েছে। ৮ তারিখে স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত বন্ধ রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। ৯ তারিখে দেশজুড়ে হরতাল। কেন্দ্রীয় সরকারের উদারনীতির বিরোধিতা সহ ১৫ দফা দাবিতে দুদিনের ধর্মঘটকে এই অঞ্চলেও সফল করে তুলতে কাজকর্ম শুরু হয়ে গিয়েছে। এর অঙ্গ হিসেবে রবিবার মধ্যশহর সাংস্কৃতিক সমিতির হলঘরে গণকনভেনশনের আয়োজন করা হয়। সেখানে সবাই মিলে একসুরে বলেন, এই বনধ সার্থক করে তুলতে হবে। সে জন্য সবাই মিলে প্রচার ও পিকেটিংয়ে ঝাঁপাতে হবে।তাদের দাবি-দাওয়ার মধ্যে রয়েছে অসমের কাগজ কল দুটি খোলা, চা শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি আইনে মজুরি প্রদান, জমির পাট্টা বিতরণ ইত্যাদি।
Pic Credit:Eagle
এ দিনের গণকনভেনশনের সভাপতিমণ্ডলীতে ছিলেন আইএনটিইউসি-র কিশোর ভট্টাচার্য, সিআইটিইউ-র সমীরণ আচার্য, এআইসিসিটিইউ-র আতরজান বিবি, এআইটিইউসি-র রফিক আহমেদ, ইডব্লুটিসিসি-র বিদ্যুত দেব, এআইইউটিইউসি-র জয়সিং ছেত্রি, টিইউসিসি-র তরুণ নন্দী ও এআইইএফ-এর লোকনাথ দেবরায়।
এআইইউটিইউসি-র সুব্রত নাথ বনধ পালনের আহ্বান জানিয়ে প্রস্তাব পেশ করেন। পরে এর উপরে বক্তব্য রাখেন শ্রীনিবাস কর, সুপ্রিয় ভট্টাচার্য, চূণীলাল ভট্টাচার্য, অসীম নাথ বড়ভুইয়া, রেবা নাথ, আজিজুর রহমান মজুমদার, রঞ্জন দাস, রাহুল রায়, বিশ্বজিত পালচৌধুরী, সুভাষ দেব, সাহারুল আলম মজুমদার, মৃণালকান্তি সোম, নিয়ামউদ্দিন, সুমিতা সিনহা প্রমুখ।