Barak UpdatesHappeningsBreaking News
জাতীয় গ্রন্থাগারিক দিবসে উইমেন্স কলেজে ড. এস.আর. রঙ্গনাথনকে শ্রদ্ধা

ওয়েটুবরাক, ১২ আগস্ট: ‘গ্রন্থাগার কেবল বইয়ের ঘর নয়, এটি জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলার কেন্দ্র’, জাতীয় গ্রন্থাগারিক দিবসের অনুষ্ঠানে এমনই অনুপ্রেরণার বার্তা দিলেন শিলচর উইমেন্স কলেজের অধ্যক্ষ ড. সুজিত তিওয়ারি।
দেশে গ্রন্থাগার বিজ্ঞানের জনক হিসেবে পরিচিত ড. এস.আর. রঙ্গনাথনের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার কলেজের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে মুক্তি পায় কলেজ গ্রন্থাগারের পত্রিকা ‘ইনফোডাইজেস্ট’ এবং উন্মোচিত হয় দেওয়াল পত্রিকা। অধ্যক্ষ ড. তিওয়ারি এর উন্মোচন করেন। উপাধ্যক্ষ ড. শান্তনু দাস সহ শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
ড. তিওয়ারি বলেন, “ড. রঙ্গনাথন ছিলেন মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম গ্রন্থাগারিক এবং গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞান-এর জনক। তিনি গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে অসামান্য অবদান রেখেছেন, যার মধ্যে রয়েছে বিখ্যাত ‘ফাইভ ল’জ অফ লাইব্রেরি সায়েন্স’ প্রণয়ন। তাঁর জীবন আমাদের শিখিয়ে দেয়, গ্রন্থাগার কেবল পাঠের জায়গা নয়, লেখার এবং ভাবনার ক্ষেত্রও বটে। আমাদের কলেজ গ্রন্থাগারে রয়েছে ২৮,০০০ বই ও তথ্যসম্পদ। শিক্ষার্থীদের উচিত এই বইগুলির সর্বোত্তম ব্যবহার করা।”
তৃতীয় সেমিস্টারের ছাত্রী লিনথোইবি সিংহ গ্রন্থাগার বিজ্ঞান অধ্যয়নের অভিজ্ঞতা ও দিনের তাৎপর্য নিয়ে বক্তব্য রাখে। উপাধ্যক্ষ ড. শান্তনু দাস কলেজ জীবনের গ্রন্থাগার-স্মৃতি সকলের সাথে ভাগ করে বলেন, ছাত্রীদেরই গ্রন্থাগার ব্যবহারে নেতৃত্ব দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড. সরিতা ভট্টাচার্য জানান, ভারতের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি ড. সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণণ বলেছিলেন, একটি গ্রন্থাগার হচ্ছে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হৃদপিণ্ড। তিনি জানান, সর্বোচ্চ গ্রন্থাগার ব্যবহারকারী শিক্ষার্থীদের জন্য গ্রন্থাগারের পক্ষ থেকে বিশেষ পুরস্কারেরও ব্যবস্থা রয়েছে।



