Barak UpdatesHappeningsBreaking News
সাহিত্য আকাদেমির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কাছাড় কলেজে সেমিনার

ওয়েটুবরাক, ১৮ মার্চ: সাহিত্য আকাদেমি, নতুন দিল্লি এবং কাছাড় কলেজের মণিপুরি বিভাগের যৌথ উদ্যোগে গত সোমবার “নঙথোম্বম কুঞ্জমোহন সিংহ: জীবন ও কর্ম) শীর্ষক একটি একদিবসীয় সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
উদ্বোধনী অধিবেশনে স্বাগত ভাষণ প্রদান করেন সাহিত্য আকাদেমির মণিপুরি উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কে. নয়ন চাঁদ সিংহ। তিনি আঞ্চলিক সাহিত্যের প্রসারে এই ধরনের আলোচনা চক্রের গুরুত্ব তুলে ধরে কুঞ্জমোহন সিংহের সাহিত্যিক অবদানের কথা আলোচনা করেন। তিনি বলেন, কুঞ্জমোহন সিংহ বাংলা সাহিত্যের কিছু অনন্য কীর্তি অনুবাদ করেছেন যার মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “গোরা” উপন্যাস অন্যতম।
উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন কাছাড় কলেজের উপাধ্যক্ষ ও ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ শামস উদ্দিন। তিনি তাঁর বক্তব্যে সাহিত্য আকাদেমির সহযোগিতায় মণিপুরি বিভাগের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি গবেষক ও শিক্ষার্থীদের আঞ্চলিক সাহিত্যের প্রতি সক্রিয়ভাবে মনোনিবেশ করতে এবং বরাক উপত্যকার সমৃদ্ধ সাহিত্য সংরক্ষণে কাজ করতে উৎসাহিত করেন।
মুখ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মণিপুরি বিভাগের অধ্যাপক ননী কুমার সিংহ। তিনি কুঞ্জমোহন সিংহের সাহিত্যিক উৎকর্ষ ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব নিয়ে এক অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও কলেজের আইকিউএসি সমন্বয়কারী ড. নিতু দেবনাথ মণিপুরি বিভাগের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. এ. পুষ্পলতা সিংহ এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন মণিপুরি বিভাগের প্রধান ড. এল. নিপামাচা সিংহ। পরবর্তীতে, গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের মণিপুরি বিভাগের প্রধান ড. এন. বিদ্যাসাগর সিংহের সভাপতিত্বে টেকনিক্যাল সেশনে চারটি গবেষণাপত্র পাঠ করা হয়। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কে. ইন্দিরা দেবী, কে এইচ. অঞ্জনা দেবী, কে এইচ. মেমচা সিংহ এবং ড. সন্ধ্যা রানী সিংহ।

উপস্থাপকরা কুঞ্জমোহন সিংহের রচনার বিভিন্ন সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ও তাত্ত্বিক মাত্রার উপর আলোকপাত করেন। গবেষণা পত্র পাঠের পর এক প্রাণবন্ত আলোচনার মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।
অনুষ্ঠানে কাছাড় কলেজের বিভিন্ন বিভাগের অধ্যাপক, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক, শিক্ষার্থী ও সাহিত্যপ্রেমীরা উপস্থিত ছিলেন ।



