Barak UpdatesHappeningsBreaking News
বিক্ষিপ্ত হিংসার মধ্যেই বরাকে পঞ্চায়েত নির্বাচন

ওয়েটুবরাক, ২ মেঃ প্রচারে একপক্ষীয় নির্বাচন মনে হলেও শুক্রবার ভোটের দিন বরাক উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীদের সমর্খকদের মধ্যে মারপিটের ঘটনা ঘটে। এর অধিকাংশ অবশ্য পঞ্চায়েত সদস্য পদের জন্য লড়াইয়ে, যেখানে সরাসরি রাজনৈতিক দলের কোনও সম্পর্ক নেই। দলীয় প্রতীকের ব্যাপার না থাকায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিজেপির একাধিক কর্মী এক আসনের জন্য লড়াইয়ে নেমেছে এবং বহু জায়গায় তাদের মধ্যেই তর্ক-বিতর্ক, হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। আঞ্চলিক পঞ্চায়েত ও জেলা পরিষদ সদস্য নির্বাচনে কোথাও কংগ্রেস-বিজেপি, কোথাও আবার বিজেপি-নির্দলে শক্তি প্রদর্শন হয়। হিংসা, হানাহানিও ঘটে।
শুক্রবার অসমে প্রথম পর্যায়ের পঞ্চায়েত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বরাক উপত্যকার তিন জেলা ছাড়াও এ দিন ভোট গ্রহণ হয় উজান অসমের এগারো জেলায়। পুলিশ জানিয়েছে, শ্রীভূমি জেলার চৌধুরীটিলা এলাকায় ব্যালট বাক্স পুকুরে ফেলে দিলে সেখান ভোটগ্রহণ বাতিল করা হয়। সেখানে দুই প্রতিদ্বন্ধীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধলে কয়েকজন ভোটকেন্দ্রে ঢুকে সব লণ্ডভণ্ড করে। জোর করে তারা ব্যালট বাক্স তুলে নিয়ে পুকুরে ফেলে দেয়। এর পরই নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে ভোটকর্মীদের তুলে আনা হয়। শ্রীভূমির জেলাশাসক প্রদীপকুমার দ্বিবেদী জানান, সেখানে পুনর্নির্বাচন হবে। সংঘর্ষে আহত দুইজনকে শ্রীভূমি সিভিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আরও এক-দুই জায়গায় ব্যালট বক্সে কালি ঢেলে দেওয়া, জল ফেলে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জেলাশাসক জানিয়েছেন।
কাছাড়ের কাটিগড়াতে ভোট শুরু হতেই দুই রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের মধ্যে মারপিট বেঁধে যায়। তাতে পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাদের শিলচর মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে চিকিতসা করানো হয়। তারিণীপুর এলাকার বোয়ালিপার এলপি স্কুল ভোটকেন্দ্রের এই ঘটনা ঘিরে উত্তেজনা থাকলেও ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। পুলিশ জানিয়েছে, কিছু সময়ের জন্য ভোট বন্ধ থাকে, পুলিশের অতিরিক্ত বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পরই ফের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। কোনও পক্ষে কোনও এজাহার দায়ের না করলেও পুলিশ পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে।



