NE UpdatesHappeningsBreaking News
শিলচর-আগরতলা রেলরুট ডাবল লাইন হচ্ছে, ডিপিআর তৈরি

ওয়েটুবরাক, ১৭ অক্টোবর: শিলচর-আগরতলা ডাবল রেললাইন হবে। সে জন্য ফাইনাল লোকেশন সার্ভে কবেই সম্পন্ন হয়েছে। তৈরি হয়ে গেছে বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন তথা ডিপিআর-ও। তা এখন রেলওয়ে বোর্ডের অনুমোদনের অপেক্ষায়। অনুমোদন মিললেই দরপত্র আহ্বান এবং নির্মাণকাজ শুরুর প্রক্রিয়া হাতে নেওয়া হবে।
লক্ষ্য শিলচর-আগরতলা রুটটিকে ডাবল করা বটে, তবে এর কাজ শুরু হবে ময়নারবন্দ থেকে। শিলচর-জিরিবাম রুটের প্রথম স্টেশনটির যে গুরুত্ব বাড়তে চলেছে, এরও ইঙ্গিত মেলে এই ডিপিআরে। উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের নির্মাণ শাখার জেনারেল ম্যানেজার আশিস বনশাল গত বুধবার এই প্রস্তাবের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন।
শিলচর (ময়নারবন্দ)-আগরতলা ডাবল রুট হলে এই অঞ্চলে ট্রেন চলাচলে গতি বৃদ্ধি পাবে, যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য বাড়বে এবং এই রুটে ট্রেনের সংখ্যা বাড়বে বলে রেলকর্তারা আশা করছেন।

এ দিকে, বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পদত্যাগের পর দুই দেশের সম্পর্কে যে অবনতি দেখা যায় এবং তারেক রহমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর পরিস্থিতির বিশেষ উন্নতি না ঘটায় আগরতলা – আখাউড়া রেললাইনে সংযুক্ত হওয়ার প্রকল্পটিকে ডেড প্রজেক্ট বলে মনে করা হচ্ছিল। তবে জেনারেল ম্যানেজার এই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে নির্দেশ দিয়েছেন। নিশ্চিন্তপুর স্টেশনে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, এটি আন্তর্জাতিক রেলরুট। এর সঙ্গে জড়িত ভারতের অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি। ফলে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে আশা করা যায়, শীঘ্রই দুই দেশের মধ্যে যাত্রী রেলের চলাচল আরম্ভ হবে।
বনসাল সেদিন বদরপুর থেকে তাঁর উইন্ডো ট্রেলিং ইন্সপেকশন শুরু করেন। দেখতে দেখতে সোজা যান আগরতলায়। সেখান থেকে নিশ্চিন্তপুর এবং পরে যান সাব্রুমে। ট্র্যাক, রেলব্রিজের বর্তমান অবস্থা খতিয়ে দেখেন।

কুমারঘাট-আগরতলা প্রজেক্টে ২৩টি রোড ওভারব্রিজের নির্মাণকাজ মঞ্জুর হয়েছে। এর মধ্যে ১২টির কাজ বন্টন সম্পন্ন হয়েছে। জেনারেল ম্যানেজার বনশাল সে সব খতিয়ে দেখে চলতি অর্থবছরে অন্তত ৮টির কাজ সম্পূর্ণ শেষ করতে সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে নির্দেশ দিয়েছেন।



