Barak UpdatesAnalyticsBreaking News
বিমান সমস্যায় আজ শিলচরে আসছে না প্রয়াত কমলেন্দু ভট্টাচার্যের মরদেহ

ওয়ে টু বরাক, ২৮ জুলাই : সোমবার সকালেই শিলচরে এসে পৌছনোর কথা ছিল রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ তথা ইংরেজির অধ্যাপক কমলেন্দু ভট্টাচার্যের মরদেহ। কিন্তু বিমান সংক্রান্ত সমস্যা থাকায় সোমবার শিলচরে আসা সম্ভব হচ্ছে না। প্রয়াতের পরিবারের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে এ কথা জানা গেছে। ফলে খুব সম্ভব মঙ্গলবার মরদেহ এসে পৌছবে শিলচরে। বিমানে এসে পৌছার পর তাঁর মরদেহ বিভিন্ন কর্মস্থলে নিয়ে যাওয়া হবে। এর মধ্যে অন্যতম গুরুচরণ কলেজ, কংগ্রেস ভবন। এরপর তাঁর কলেজ রোডের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পর সেখান থেকে শিলচর শ্মশানঘাটে গিয়ে প্রয়াতের শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ কলকাতায় বার্ধ্যক্যজনিত রোগভোগের পর প্রয়াত হন এই শিক্ষাবিদ। বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। রেখে গেছেন শিলচর উইমেন্স কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষা সুদেষ্ণা ভট্টাচার্য, দুই মেয়ে কমলিকা ও সুনয়না। তাঁর ছেলে দন্ত চিকিতসক কুণাল ভট্টাচার্য কিছুদিন আগেই মারা গিয়েছেন। জীবদ্দশায় কমলেন্দু ভট্টাচার্য ১৯৬৭ সাল থেকে জিসি কলেজে ইংরেজির অধ্যাপনা শুরু করেন। ১৯৭২-৭৩ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে বেশ কয়েকদিন জেলও খেটেছেন। উধারবন্দ জগন্নাথ সিং কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষও ছিলেন তিনি।
কমলেন্দুবাবু ১৯৮৪ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত কংগ্রেসের হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন। এরপর ১৯৯৬ সালে তিনি শিলচর আসনে বিধায়ক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও বিজেপির বিমলাংশু রায়ের কাছে হেরে যান। এরপর ২০০১ সালেও একই আসনে লড়াইয়ে নামলেও ফের বিমলবাবুর কাছে হারতে হয়েছে তাঁকে। ২০০৬ সালে তিনি উধারবন্দ থেকে নির্দল প্রার্থী হিসেবেও ভোটযুদ্ধে নেমেছিলেন তিনি। কিছুদিন এআইইউডিএফ দলেও ছিলেন। এই ব্যক্তির মৃত্যুতে পরিচিত মহলে শোক নেমে আসে। শিক্ষা জগৎ ও রাজনীতির মাঠে থাকা অনেকেই প্রয়াতের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।



