Barak UpdatesHappeningsBreaking News
ভারতীয় শিক্ষণ মণ্ডলের ব্যাস পূর্ণিমা উদযাপন বিশ্ববিদ্যালয়ে

ওয়ে টু বরাক, ১৮ জুলাই : ভারতীয় শিক্ষণ মণ্ডলের (বিএসএম) আসাম বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির উদ্যোগে শুক্রবার ব্যাস পূর্ণিমা উদযাপিত হল আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। পদার্থবিদ্যা বিভাগের মেঘনাদ সাহা সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মহর্ষি ব্যাসদেবকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। সেইসঙ্গে প্রাচীন গুরু-শিষ্য পরম্পরাকে স্মরণ করে ‘গুরু পূর্ণিমা’ অনুষ্ঠানও আয়োজিত হয়।
ভারতীয় শিক্ষণ মণ্ডলের সদস্য সরদা জ্যোতি সিংহের ধ্যেয় শ্লোক ও স্তোত্রপাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। স্বাগত ভাষণ দেন বিএসএম আসাম বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সম্পাদক অধ্যাপক দেবতোষ চক্রবর্তী। তিনি এদিনের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করেন। অনুষ্ঠানে মুখ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃত বিভাগের অধ্যাপক শান্তি পোখরেল। তিনি ব্যাস পূর্ণিমার ঐতিহাসিক তাৎপর্য নিয়ে একটি মননশীল বক্তৃতা প্রদান করেন। তিনি গুরু-শিষ্য পরম্পরার মাধ্যমে ভারতীয় জ্ঞানতন্ত্র গঠনের ভূমিকা এবং আধুনিক সময়ে তার প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা করেন।

এ দিনের অনুষ্ঠানে শিলচর গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য অধ্যাপক নিরঞ্জন রায়কে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। প্রসঙ্গত, অধ্যাপক রায় বিএসএম-এভিভিএসভিএস-এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও বিএসএম-দক্ষিণ অসম প্রান্তের সভাপতি। উপাচার্য হিসেবে নিয়োগের আগে তিনি আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রধান, ডিন, আইকিউএসির ডিরেক্টর, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হিসেবে বিভিন্ন সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁকে বিএসএম আসাম বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির পক্ষ থেকে সংবর্ধনা জানানোর পাশাপাশি পদার্থবিদ্যা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হিমাদ্রি শেখর দাসের পক্ষ থেকেও বিশেষভাবে সম্মানিত করা হয়।
এদিন অধ্যাপক রায় ভারতীয় জ্ঞানতন্ত্র বিষয়ক অনুপ্রেরণামূলক বক্তৃতা প্রদান করেন। তিনি জাতীয় শিক্ষা নীতির (এনইপি) খসড়া প্রণয়নে ভারতীয় শিক্ষণ মণ্ডলের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন এবং ব্যাখ্যা করেন কীভাবে একসময় উপেক্ষিত সেই প্রাথমিক দৃষ্টিভঙ্গিই আজ সারাদেশে বাস্তবায়িত হচ্ছে । শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিএসএম’র সাংগঠনিক সচিব অধ্যাপক হিমাদ্রি শেখর দাস।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএসএম-এভিভিএসভিএস সভাপতি অধ্যাপক পীযূষ পাণ্ডে, ইতিহাস বিভাগের প্রধান অধ্যাপক সুপর্ণা রায়, ড. অমিত দাস, ড. বিশ্বরঞ্জন রায়, অধ্যাপক সৌগত নাথ, ড. মৌমিতা নাথ, ড. কিংশুক অধিকারী, ড. কল্যাণ দাস, ড. অদিতি নাথ, ড. জয়শ্রী দে, ড. বিধান মহন্ত, অধ্যাপক বি. ইন্দ্রজিৎ শর্মা, অধ্যাপক নবেন্দু সেন, ড. মহানন্দ বরো, ড. স্বর্ণদীপ বিশ্বাস, ড. উৎপল সরকার, ড. সোমা রায় দে চৌধুরী, অধ্যাপক অত্রি দেশমুখ্য, ড. জয়দীপ চৌধুরী, ড. অরিন্দম রায়, শিবাশিস ভট্টাচার্য, কানু ধর সহ বহু ছাত্রছাত্রী ও গবেষক।



