Barak UpdatesHappeningsBreaking News

জেলা প্রশাসনের পুজোয় মহাষ্টমীর দুপুরে কুমারী বন্দনা

ওয়েটুবরাক, ২৯ সেপ্টেম্বরঃ জেলাশাসক পুজোমণ্ডপে বসে সঙ্কল্প করছেন আর চারদিকে তাঁকে ঘিরে বসে আছেন জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মচারীরা। এটি শিলচর আদালত চত্বরে আয়োজিত জেলা প্রশাসনের দুর্গাপূজার প্রতি বছরের দৃশ্য।

 

সেই প্রথা মেনে এ বারও সংকল্প করলেন জেলাশাসক তথা পূজা কমিটির সভাপতি মৃদুল যাদব। সোমবার মহাসপ্তমীর সকালে নির্দিষ্ট সময়েই পুজোমণ্ডপে উপস্থিত হন তিনি। পুরোহিত সিদ্ধার্থ ভট্টাচার্যের পাশে বসে নামগোত্র উল্লেখ করে মন্ত্রপাঠ করেন।

অসমে একমাত্র কাছাড়েই জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। জেলাশাসক সভাপতি হলেও পূজার মূল উদ্যোক্তা জেলা প্রশাসনের কর্মচারীরা। তাঁরাই সভা ডেকে পূজা কমিটি তৈরি করেন। সেই কমিটি যাবতীয় কাজকর্ম করে। এ বার সম্পাদকের দায়িত্ব করছেন জয়দীপ নাথ। তবে নিয়মিত খোঁজখবর রাখেন অতিরিক্ত জেলাশাসক, এগজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটরা। পুজোর দিনগুলিতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সকলেই আসেন, পুজোর আনন্দ ভাগ করে নেন।

এ বার এই পূজার ষাট বছর পূর্তি। এই উপলক্ষে বিশেষ সাংস্কৃতিক কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু কিংবদন্তী শিল্পী জুবিন গর্গের অকালপ্রয়াণে আনন্দানুষ্ঠান থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন তাঁরা। শুধু সাত্ত্বিকতার সঙ্গে পুজোপর্ব এগিয়ে নিয়ে যাওয়াতেই গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে, জানিয়েছেন আয়োজকরা। সেজন্য মহালয়া ও ষষ্ঠীর সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাতিল করা হলেও মঙ্গলবার মহাষ্টমীর দুপুরে কুমারী পূজা যথারীতি হবে।

কাছাড় জেলা প্রশাসনের এই পূজা শুরু হয়েছিল ১৯৬৬ সালে, গান্ধীবাগে। কয়েকবছর সেখানেই হয়। একবার বন্যার দরুন গান্ধীবাগে পূজার্চনা অসম্ভব হয়ে পড়লে আদালত চত্বরে তা স্থানান্তরিত হয়। আদালত চত্বর বলা হলেও আসলে সেখানেই তাদের স্থায়ী মন্দির।

গোটা অসমে জেলা প্রশাসনের পুজো বলতে যেমন কাছাড়েই হয়, তেমনি সার্কল অফিসের পুজোও রাজ্যে একটিই হয়। সেটিও কাছাড়েই। সোনাই সার্কল অফিসে এ বারও পরম্পরা মেনে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
Close
Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker