Barak UpdatesHappeningsCultureBreaking NewsFeature Story

একটি মনমাতানো নাট্যানুষ্ঠান “কিস্তিমাত”, লিখেছেন শান্তনু সেনগুপ্ত

//শান্তনু সেনগুপ্ত//

গত ২০ এপ্রিল ২০২৫ রবিবার, স্থানীয় বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হলো ভাবীকাল ও আজকের প্রজন্ম থিয়েটার গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে নাটক ‘কিস্তিমাত’। শুরু থেকেই একেবারে পেশাদারিত্বের মোড়কে মঞ্চস্থ হলো এই নাটক। শিলচর তথা বরাক উপত্যকায় এটা একেবারেই বিরল অভিজ্ঞতা। ভাবতে ভালো লাগছিল যে, এ অঞ্চলের নাটক ধীরে ধীরে সাবালক হচ্ছে। এটা অত্যন্ত ভালো লক্ষ্মণ। আমরা যারা এই শিল্পের সঙ্গে গত ৪০-৪৫ বছর ধরে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়ে আছি, এটা আমাদের কাছে একটা ভারি গর্বের বিষয়, আত্মশ্লাঘার ব্যাপার। ধন্যবাদ আজকের প্রজন্ম ও ভাবীকাল থিয়েটার গ্রুপকে শিলচরের নাটককে পেশাদারিত্বের দিকে এক পা এগিয়ে দেওয়ার জন্যে। অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় সায়ন বিশ্বাসকে।
ডিসেম্বর মাসে “পৌষ পরব”-এ নাটকের পোস্টার রিলিজ, জানুয়ারিতে মিউজিকের আত্মপ্রকাশ, ফেব্রুয়ারিতে ‘এ মাসের নাটক’ অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিক ভাবে ই-প্রবেশ পত্র বিক্রির সূচনা, মার্চ জুড়ে সোশাল মিডিয়ায় প্রচার এবং এপ্রিল মাসের প্রথম থেকে অনলাইন টিকিট বিক্রি। তারই ফলশ্রুতিতে এপ্রিলে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাউসফুল বঙ্গভবন‌ । কোনও নাটকে এধরনের কর্মকাণ্ড দেখব, আমার শৈশবে সত্যিই এটা ভাবতে পারিনি।
মঞ্চসজ্জা : এবারে আসি এই নাটকের মঞ্চায়ন প্রসঙ্গে। পর্দা খোলার সাথে সাথেই চোখে পড়ল অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন একটি মঞ্চসজ্জা। ভীষন যত্ন করে অসাধারণ ডিটেলিংয়ে কাজ করে মঞ্চ মির্মাণ করেছেন এই অঞ্চলের অত্যন্ত প্রতিভাবান তরুণ অংকন কংসবণিক । তাঁর প্রতিটি কাজেই ছিল আন্তরিকতার ছোঁয়া, যা কিনা রূপরাজ দেবের আলোর জাদুতে আরও মোহময় লাগছিল। সারারাত জেগে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন অঙ্কন, দর্শক আসন থেকে বিলক্ষণ অনুভব করছিলাম। নাটকের সময়কাল ও বিষয়বস্তুকে শুরুতেই দর্শকের কাছে পৌঁছে দিতে এই মঞ্চসজ্জা দারুন সহযোগীর কাজ করেছে।

সত্যি বললে, আমার চিন্তা হচ্ছিল, মাত্র দুজন অভিনেতা কীভাবে এই বিশাল মঞ্চসজ্জাকে তাদের অভিনয়ে প্রয়োগ করবেন। বা এই মঞ্চসজ্জার প্রতিটি জিনিসকে তাঁরা কীভাবে অভিনয়ের মাধ্যমে ব্যবহার করেন। অবাক হয়ে দেখলাম, সায়ন বিশ্বাসের সুনিপুণ নির্দেশনার সূত্রে এবং দুজন অত্যন্ত দাপুটে অভিনেতার অভিনয় কুশলতায় মঞ্চের প্রায় প্রতিটি জিনিষ খুবই কার্যকরভাবে অভিনয়ে ব্যবহার করা হয়েছে। সেখানেই মঞ্চ নির্মাণের সার্থকতা, নির্দেশনার মুন্সিয়ানা এবং অবশ্যই অভিনেতাদের পারদর্শিতা। যেহেতু অসাধারণ মঞ্চসজ্জা হয়েছিল, তাই ছোট্ট একটা ত্রুটির দিকে নির্দেশক তথা সেট ডিজাইনারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। সেটা হলো, বাইরে থেকে ঢোকার দরজা ও কালো দেওয়ালে কলিং বেলের অনুপস্থিতি। খালি দেওয়ালেই বারবার কলিং বেল টিপে অভিনেতা ঘরে ঢুকেছেন। সাধারণ মঞ্চসজ্জা হলে এই সামান্য ত্রুটি নজর এড়িয়ে যেত, কিন্তু যেহেতু বাকি মঞ্চসজ্জা অসাধারণ হয়েছে, তাই এটা একটু চোখে লেগেছে।

আলোকসজ্জা: আগেই বলেছি রূপরাজ দেবের আলোর কাজ এই নাটকের মঞ্চসজ্জাকে আরও দৃষ্টিনন্দন করে তুলেছে। মঞ্চের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রূপরাজের আলোর জাদুতে আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। যেমন, দেওয়ালে টাঙানো হরিণের মাথা, উঁচুতে থাকা জানালা, মঞ্চে রাখা বিভিন্ন রকমের পুতুল, দেওয়াল ঘড়ি, দাবার বোর্ড, বুকশেলফ, মদের কাউন্টার, সোফাসেট, দোতলায় যাওয়ার সুদৃশ্য সিড়ি, গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রাখা ফুলদানি কোনও কিছুই তার আলোর জাদু থেকে বঞ্চিত হয়নি। মঞ্চসজ্জার সঙ্গে আলোকসজ্জার এই যুগলবন্দি এই নাটকের সাফল্যের একটি অন্যতম চাবিকাঠি। তার উপর বিভিন্ন সিকোয়েন্স তৈরিতে আলোর খেলা তো ছিলই। বিশেষ করে ধর্মনগর থেকে আনা বিশেষ প্রোফাইল লাইটগুলোর ব্যবহার নাটককে একটা অন্য মাত্রা দেয়। আমার দেখা অঙ্কন কংসবণিকের মত রূপরাজ দেবেরও এটা অন্যতম সেরা কাজ বলে বিবেচিত হবে।

আবহসঙ্গীত : সায়ন বিশ্বাসের নাটকগুলোর একটি বিশেষ গুণ আছে। ওর সমস্ত প্রযোজনায় আবহসঙ্গীত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেটা ‘চাইছি তোমার বন্ধুতা’ বলুন বা ‘তিন পুতুলের গল্প’, ‘অ্যামাজিং গার্ল’, ‘নৌকাডুবি’, বা ‘চাবি অফিসার’। এই নাটকেও তার অন্যথা হয়নি। নাটকের বিভিন্ন মুহূর্তে, বিশেষ করে আবহ তৈরিতে নেপথ্য সঙ্গীত দারুণ সহায়কের কাজ করেছে। ড্রাক মিউজিকের সাথে সাথে লাইভ মিউজিক ব্যবহারের ফলে নাটকের বিভিন্ন মুড খুবই সুন্দর ও কার্যকর ভাবে দর্শকের সামনে উন্মোচিত হয়েছে। এই নাটকের আবহসংগীত তৈরিতে শিলচরের আরেক সুসন্তান সৌম্য চক্রবর্তীর প্রশংসা করতে হয়। সুদূর কলকাতায় বসে শিলচরের নাটকের জন্য তার এই নিরলস প্রয়াস আমরা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ রাখব। নৌকাডুবির কাজের পর এই নাটকেও তার আবহ সংগীত নির্মাণ যথেষ্ট উঁচু মানের হয়েছে। সেই সঙ্গে মাধুর্য্য চৌধুরী ও শোভনলাল দাসের আবহসঙ্গীত প্রক্ষেপণও যথেষ্ট প্রশংসার দাবি রাখে।
রূপসজ্জা : এই নাটকে যদিও মাত্র দুটি চরিত্র, তবু রূপসজ্জা এই নাটকের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যে পুলিশের মেকআপ যথার্থই প্রশংসনীয়। এছাড়া চরিত্র দুটি ফুটিয়ে তুলতে এর মেকআপ তাদের চরিত্র নির্মাণে যথেষ্ট সহায়ক হয়েছিল। রূপসজ্জায় স্বপন কর তাঁর সুনামের সুবিচার করেছেন, এটা নির্দ্বিধায় বলা যায়।

নাটক একটি যৌথ শিল্প বা কম্পোজিট আর্ট। তাই ‘কিস্তিমাত’ নাটকের সাফল্যের পিছনে মঞ্চসজ্জা, আলোকসজ্জা, রূপসজ্জা ও আবহসঙ্গীত যথেষ্ট ভূমিকা পালন করেছে বলেই আমি মনেপ্রানে বিশ্বাস করি।

স্ক্রিপ্ট: শুরুতেই বলেছি যে, অসাধারণ প্রচারের ফলে এই নাটক শিলচর তথা বরাক উপত্যকার নাট্যমোদী জনসাধারণের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছিল । শিলচরের বাইরে থেকেও অনেকে এই নাটক দেখতে এসেছিলেন। অ্যান্থনি শেফারের লেখা ‘দ্য স্লুথ’ নাটকটির বঙ্গানুবাদ ‘টিকটিকি’ নামে লিখেছেন প্রবাদপ্রতিম অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। সেটি আমি পুরো পড়েই সেদিনের নাটকটি দেখতে গিয়েছিলাম। বলতে দ্বিধা নেই, তরুণ লেখিকা কল্পিতা দেবের ‘কিস্তিমাত’ কোনো অংশেই সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘টিকটিকি’ থেকে পিছিয়ে ছিল না। আমি নাট্যকার নই, তাই এই বিষয়ে আমার সেরকম কোনও টেকনিক্যাল জ্ঞান নেই। তবে একজন সিরিয়াস নাট্যকর্মী হিসেবে এটা বলতে পারি, বিশ্ববিখ্যাত এই নাটকের একটি অসাধারণ অনুবাদ করেছেন কল্পিতা দেব। যেহেতু একই নাটকের বঙ্গানুবাদ, তাই কাকতালীয় ভাবে কিছু কিছু ডায়ালগ হুবহু ‘টিকটিকি’ নাটকের সঙ্গে মিলে যাচ্ছিল। তবে এটা জোর দিয়ে বলতে পারি, বিষয়বস্তুকে মাথায় রেখে নামকরণের দিক দিয়ে ‘টিকটিকি’ থেকে ‘কিস্তিমাত’ অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য। কেননা এই গল্পে ধাপে ধাপে রয়েছে প্রেম, পরকীয়া, অবৈধ যৌন সম্পর্ক, যৌন অক্ষমতা এবং সেই অক্ষমতা থেকে জেগে ওঠা প্রতিশোধস্পৃহা।
নিঃসঙ্গ অর্ধেন্দু রায়চৌধুরী তার নিঃসঙ্গতার বেড়াজাল থেকে নিজেকে বের করে আনার জন্য অদ্ভুত সব কাণ্ড কারখানা ঘটাতে থাকেন। আর সেখান থেকেই নিজের স্ত্রীর প্রেমিকার প্রতি প্রতিশোধ নেবার প্ল্যান করেন এবং ঘটনাক্রম ক্রমশ যেদিকে এগিয়ে যায়, ‘কিস্তিমাত’ নামকরণটি পুরোপুরি অর্থবহ। তবে স্ক্রিপ্ট নিয়ে আমার একটা ছোট্ট জিজ্ঞাসা, শিলচরে বসে নাটকের স্ক্রিপ্ট লেখার জন্যেই কি শিলচরের বিভিন্ন জায়গার রেফারেন্স টানা হল? নাট্য নির্মাণে এটা কি খুব জরুরি ছিল? একটু ভেবে দেখবেন।

অভিনয়: নাটকটি দেখতে যাওয়ার সময় আমার মনের মধ্যে একটা দ্বন্দ্ব ছিল যে, দু’ঘণ্টার বেশি সময়ের একটি নাটক শুধু দুজন অভিনেতা পুরো  টানটান রাখতে পারবেন তো ! যত ভাল অভিনেতাই হোন না কেন, দর্শকদের মধ্যে একটুও বোরিং ভাব আসবে না তো! আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি, আমার এই আশঙ্কা যে সম্পূর্ণ অমূলক, তা প্রমাণ করেছেন আমার অত্যন্ত প্রিয় অনুজপ্রতিম দুজন শক্তিশালী অভিনেতা সুব্রত রায় (শম্ভু) ও শান্তনু পাল। এই দুই অভিনেতার অনেক ভালো ভালো অভিনয়, অনেক দুর্দান্ত প্রযোজনা আমরা বহু বছর ধরে দেখে আসছি। তাদের আর নতুন করে এই অঞ্চলের দর্শকদের কাছে প্রমাণ করার কিছু নেই। অত্যন্ত প্রতিভাবান নামী অভিনেতা হিসেবে তাঁরা প্রতিষ্ঠিত।
তবু অভিনেতাদের নিজেকে ছাপিয়ে যাওয়ার একটা প্রবণতা থাকে। এই নাটকেও দুজনেই চেষ্টা করেছেন তাদের সেরাটা দিতে এবং অনেকাংশেই তাঁরা সফল। একই সেটে (তা সে যতই দৃষ্টিনন্দন হোক না কেন) মাত্র দুজন অভিনেতা মিলে প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে হাউসফুল দর্শকদের চুপ করিয়ে রাখা চাট্টিখানি কথা নয়। সে হিসেবে দুজনেই চূড়ান্ত সফল।


আরও একটু গভীরভাবে দেখতে গেলে প্রথম পর্ব যেমন মাতিয়ে রেখেছিলেন সুব্রত রায়, ঠিক তেমনি দ্বিতীয় পর্বে দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন শান্তনু পাল। বিশেষ করে তাঁর পুলিশ চরিত্রের ভেরিয়েশন দারুন।
দুটি পর্বেই দুজনকে সহায়তা করেছে তাদের ডায়ালগ। প্রথম পর্বে যেমন আকর্ষণীয় সংলাপগুলো ছিল অর্ধেন্দু রায় চৌধুরীর মুখে, ঠিক তেমনি দ্বিতীয় পর্বে ছিল পুলিশ অফিসার এবং পরবর্তীতে মিলন মণ্ডলের মুখে। তাই দুজনের যুগলবন্দিতে দুটি পর্বই ছিল একেবারে জমজমাট।

তবে অভিনয়ের খুব চুলচেরা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রথম পর্বের প্রথম দু-একটি জায়গায় শান্তনু পালকে একটু ম্রিয়মান দেখিয়েছে, অনুরূপভাবে সুব্রত রায়কে দ্বিতীয় পর্বের কিছু জায়গায় প্রথম পর্বের থেকে খানিকটা ম্রিয়মান লেগেছে, তবে এটা খুবই সামান্য। তাই এটা নির্দ্বিধায় বলা যায়, এই নাটকের সাফল্যের পিছনে তাদের দুজনের অনবদ্য অভিনয়ের বিরাট অবদান আছে। দুজনই তাঁদের সেরা অভিনয় সেদিন দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।


নির্দেশনা ও টিমওয়ার্ক: এবারে আসছি এই বিশাল কর্মকাণ্ডের মূল কাণ্ডারি সায়ন বিশ্বাস ও দুরন্ত টিমের দামাল ছেলেমেয়েগুলোর কথায়। প্রতিটি ছেলেমেয়ে কী দুরন্ত পরিশ্রম করে প্রতিটি নাট্য প্রযোজনা সফল করার জন্য ! কোনও প্রশংসাই তাঁদের জন্য যথেষ্ট নয়। তাদের সবার জন্য একটা গ্র্যান্ড স্যালুট!  এই নাটক সায়ন বিশ্বাসের জীবনের এক মাইলস্টোন প্রযোজনা হিসেবে বিবেচিত হবে। কী অমানুষিক পরিশ্রম এই প্রযোজনার পিছনে রয়েছে তা দর্শকাসন থেকে প্রতি মুহুর্তেই উপলব্ধি করতে পারছিলাম। সায়ন তাঁর প্রতিটি নাট্য প্রযোজনা দিয়েই আমাদের মুগ্ধ করছে। শিলচর তথা বরাক উপত্যকার নাটক তার দ্বারা সমৃদ্ধ হচ্ছে, এ বিষয়ে কোনও দ্বিমত নেই। ‘আজ বসন্ত’ থেকে শুরু করে তাঁর প্রতিটি নাটক দর্শকদের মনের মণিকোঠায় স্থান করে নিয়েছে। তাঁর প্রযোজনা ‘তিন পুতুলের গল্প’, ‘চাইছি তোমার বন্ধুতা’, ‘অধরা মাধুরী’, ‘অ্যামেজিং গার্ল’, ‘নৌকাডুবি’, ‘চাবি অফিসার’ শিলচরের নাট্য আঙ্গিনায় চিরস্থায়ী স্থান করে নিয়েছে। ‘কিস্তিমাত’ নবতম সংযোজন। এই অল্প বয়সে তাঁর এত উন্নতি সত্যিই যথেষ্ট প্রশংসার দাবি রাখে। এই অঞ্চলের নাটক সায়ন বিশ্বাসের দ্বারা আরও সমৃদ্ধ হবে, এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

ওয়েটুবরাকের সংযোজন: কিস্তিমাত-এ সহশিল্পী কেমন অভিনয় করেছেন, সুব্রত রায় ও শান্তনু পালের কাছে এ বড় কঠিন প্রশ্ন। তবে এই নাটকের সহশিল্পীর সেরা অভিনয়ের কথা জানাতে দুজনের কারও সময় লাগেনি। দুজনেরই এককথা, তাঁর কত সেরা অভিনয়ের কথা বলব! তবু তিনটির কথা উল্লেখ করতে গিয়ে শান্তনু পাল জানান, সুব্রত রায় (শম্ভু)-র সেরা অভিনয় হল ‘আমি মদন বলছি’ নাটকে মদন, ‘শেষ সংলাপ’-এ মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং
‘লিগেসি ডাটা’ নাটকে অর্জুন সূত্রধরের চরিত্রে। একই ভাবে সুব্রত রায় জানান, শান্তনু পালের সেরা অভিনয় দেখেছি ‘হনুয়া’ নাটকে হনুয়া, ‘মৃত্যুর সাথে’ নাটকে পরান এবং ‘কোর্ট মার্শাল’-এ বিকাশ রায় চরিত্রে ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
Close
Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker