Barak UpdatesHappeningsBreaking News
Eminent Pediatrician Dr. Chandrasekhar Das passes awayডা. চন্দ্রশেখর দাসের জীবনাবসান

২২ ফেব্রুয়ারি: শেষযুদ্ধে আর পেরে উঠলেন না৷ মৃত্যুর হাতছানিতে সাড়া দিতেই হল তাঁকে৷ শনিবার রাত ৮টা ২০ মিনিটে গ্রিন হিলস কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করলেন, ডা. চন্দ্রশেখর দাস প্রয়াত হয়েছেন৷ মৃত্যুকালে তাঁ বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর৷ রেখে গিয়েছেন স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা সহ অসংখ্য পরিজন ও শুভানুধ্যায়ীদের৷
মাস দেড়েক আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হন এই অঞ্চলের বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ চন্দ্রশেখর দাস৷ দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন তখন৷ বরাকবাসী আশ্বস্ত বোধ করছিলেন৷ কিন্তু ১৬ ফেব্রুয়ারি ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন৷
Also Read: Dr. Chandrasekhar Das is dead, Long Live Dr. Chandrasekhar Das,! writes Sudarshan Gupta
প্রথমে কিডনির কিছু জটিল সমস্যায় শিলচরের এই বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে৷ কিডনি অবশ্য বেশ কিছুদিন ধরেই ভোগাচ্ছিল৷ কিন্তু পরদিনই মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের দরুন তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে৷

পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, রাতেই তাঁর দেহ নিয়ে যাওয়া হবে অম্বিকাপট্টি স্থিত প্রতিভা ভবনে, নিজের বাসভবনে৷ সেখান থেকে রবিবার অন্ত্যেষ্টির জন্য নিয়ে যাওয়া হবে৷

শিলচর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশুরোগ বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান চন্দ্রশেখরবাবুর জন্ম শিলঙে, ১৯৪৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি৷ পড়াশোনা সেন্ট এডমন্ড কলেজে৷ বাবা কেএন দাসও ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক৷
জীবন ও মৃত্যু সম্পর্কে মাত্র কিছুদিন আগেই নিজের অভিমত প্রকাশ করেন ডা. দাস৷ এই অঞ্চলের বিশিষ্ট সাংবাদিক অরিজিত আদিত্যকে এ মাসেই গত ২ ফেব্রুয়ারি বলেছিলেন, ‘কিছুদিন আগে আমি প্রায় মারাই গিয়েছিলাম৷ কয়েক মিনিট আমার হৃদস্পন্দন ছিলই না৷ আমাকে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন সেখানকার এক নার্স আমার চেহারা দেখেই বুঝে যান এবং ডাক্তারবাবু আসার আগেই আমাকে নিয়ে সোজা আইসিইউতে ঢুকিয়ে দেন৷ আমি বেঁচে ফিরি আসি৷ এটাই জীবন৷ আমাদের হাতে কিছু নেই৷’
গত এক সপ্তাহ ধরে লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমে থেকে লড়াই করে নিজের ওই কথারই প্রমাণ দিয়ে গেলেন৷ ডা. গিরিধারী কর, ডা. তনুশ্রী দেবগুপ্ত, ডা. অভিজিত দাস, ডা. রূপঙ্কর দাস নিয়মিত দেখভাল করেছেন৷ তাঁর নিজের ভাগ্নে ডা. সুমিত দাস তো পাশেই ছিলেন সারাক্ষণ৷ কিন্তু কিছুই যে মানুষের হাতে নেই৷




