Barak UpdatesHappeningsCultureBreaking News
সাড়া জাগিয়ে শেষ হলো ভাবীকালের সপ্তরাজ রঙ্গ উৎসব

ওয়েটুবরাক, ২ মার্চ: ভাবীকাল সংস্থার ৪১ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও ‘সপ্তরাজ রঙ্গ উৎসব,২০২৫’ অনুষ্ঠিত হয়। গত ২২ ফেব্রুয়ারি চারদিনের এই জাতীয় নাট্য উৎসবের সূচনা হয় । সেদিন অঞ্জলি পাল স্মৃতি মঞ্চে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এই অঞ্চলের বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব রাহুল দাশগুপ্ত । সঙ্গে ছিলেন সম্মানিত অতিথি বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ বাবুল হোড়, করিমগঞ্জের বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব অনির্বাণ ভট্টাচার্য, এবং বিশিষ্ট সমাজসেবী কমল চক্রবর্তী। আয়োজকদের তরফে মঞ্চে ছিলেন সপ্তরাজ রঙ্গ উৎসবের চেয়ারম্যান শান্তনু দাস, ভাবীকালের সভাপতি রঞ্জন কুমার দাস, উপদেষ্টা অধ্যাপক ড: দেবাশিস ভট্টাচার্য, ডিরেক্টর শান্তনু পাল প্রমুখ।

প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও অতিথিদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের পরেই প্রথম দিনের নাটক ‘অপারপথ’ পরিবেশন করে কথাচিত্র, ধর্মনগর। পরিচালনায় ছিলেন অনামিকা ভট্টাচার্য।

২৩ ফেব্রুয়ারি ‘ছবি চক্রবর্তী স্মৃতি মঞ্চে’ অভিনীত হয় নাটক – “বাগড়বিল্লা”। এটি ছিল মারাঠি ও হিন্দি ভাষায় অভিনীত গিরিশ ক্রিয়েশন, মুম্বাইর প্রযোজনা। রচনা ও পরিচালনা ওমকার ঘাগ।

২৪ ফেব্রুয়ারি পরিবেশিত হয় দুটি নাটক। ‘সুপ্রিয় মোহন দাস স্মৃতি মঞ্চে’ সেদিনের প্রথম নাটক ছিল “পেঁপে সেদ্ধ”। পরিচালনা সায়ন বিশ্বাস। প্রযোজনা বিবর্তন থিয়েটার,হাইলাকান্দি। দ্বিতীয় নাটক “যৈবতী কন্যা” মঞ্চস্থ করে লক্ষ্য পদাতিক, হলদিয়া, পশ্চিমবাংলা। পরিচালনা করেন অলকেশ সামন্ত।
২৫ ফেব্রুয়ারি শেষদিনে একটিই নাটক পরিবেশন করা হয়। শুচিস্মিতা দেব (মমি) স্মৃতিমঞ্চে গুয়াহাটির পূর্বরঙ্গ মঞ্চস্থ করে নাটক “দ্রোণাচার্য”। পরিচালনায় গুনাকর দেব গোস্বামী।

এই বছরের সপ্তরাজ রঙ্গ উৎসবে নাটকে আলোকের ব্যবহার ও প্রয়োগের জন্য গোবিন্দ দাসকে স্মৃতিস্মারক ও উত্তরীয় দিয়ে সম্মানিত করা হয় । এছাড়া বিশিষ্ট সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় দাসকে নিরপেক্ষ ও নির্ভীক সংবাদ পরিবেশনার জন্য স্মারক ও উত্তরীয় দিয়ে সম্মানিত করা হয়। তরুণ নাট্য সংগঠক ও নাট্যকর্মী আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরিষদের পদাধিকারী কুলদীপ পালকেও স্মারক ও উত্তরীয় দিয়ে সম্মানিত করা হয়। এ ছাড়া, প্রতিটি নাটকের শেষে কুশীলব ও তাদের সহযোগীদের উত্তরীয় পরিয়ে সম্মান জানানো হয়। দেওয়া হয় ‘সপ্তরাজ রঙ্গ উৎসব,২০২৫’-র স্মারক।

সপ্তরাজ রঙ্গ উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে ভাবীকালের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য তথা পরিচালক শান্তনু পাল উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সপ্তরাজ রঙ্গ উৎসবে আমন্ত্রিত সমস্ত নাট্য দলকে, শহরের সংবাদ মাধ্যমকে, সমস্ত দর্শকদেরকে, সমস্ত পৃষ্ঠপোষকদের যাদের সহযোগিতা ছাড়া নাট্যোৎসব সর্বাঙ্গীণ সুন্দর হয়ে উঠত না। বিশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন ভারত সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, দিল্লি ও মিডিয়া পার্টনার সাময়িক প্রসঙ্গ সংবাদপত্রকে।



