NE UpdatesHappeningsBreaking News
মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসনে আশার আলো দেখছেন জনজাতি নেতা-বিধায়করা

ওয়েটুবরাক, ১৬ ফেব্রুয়ারি : মুখ্যমন্ত্রী বদলের সিদ্ধান্তের চেয়ে রাষ্ট্রপতি শাসনই ভাল। কারণ আর এক মেইতেই নেতা মুখ্যমন্ত্রী হলেও সমস্যার সুরাহা হবে না। বরং রাষ্ট্রপতি শাসনের দরুন রাজ্যের মূল সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানে আশার আলো দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন মণিপুরের জনজাতি নেতৃবৃন্দ। রাষ্ট্রপতি শাসন জারির পর কেন্দ্র এখন মণিপুরে শান্তি ফেরাতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে, এমনটাই আশা করছেন সে রাজ্যের দশ জনজাতি বিধায়ক। সাত বিজেপি বিধায়ক সহ সবাই যৌথ বিবৃতিতে বলেন, জাতিহিংসার শিকার হয়ে বহু মানুষ আজও ঘরছাড়া, অবর্ণনীয় কষ্টে দিন কাটছে তাঁদের। তাই আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সময়সীমা বেঁধে এই সমস্যা সমাধানে এগনোর দাবি জানান তাঁরা।
দশ বিধায়কের মধ্যে দুইজন ছিলেন বীরেন সিংহ মন্ত্রিসভার সদস্যও। কিন্তু জনজাতিদের পৃথক প্রশাসনের দাবিতে তাঁরাও সরকারকে বয়কট করে চলেছেন। যাননি বিধানসভার অধিবেশনেও। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কুকি-জো কাউন্সিলও রাষ্ট্রপতি শাসনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায়। ইন্ডিজেনাস ট্রাইবাল লিডারস ফোরাম, কুকি ইনপি মণিপুর সহ বিভিন্ন জনজাতি সংগঠনের এই কাউন্সিল আশা ব্যক্ত করে যে, এ বার প্রকৃত অর্থেই শান্তি স্থাপনের প্রয়া্স নেওয়া হবে।
এ দিকে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির পরই শুরু হয়েছে বিধায়কদের পক্ষে টানার নতুন কৌশল। ভুয়ো ফোনে বিধায়কদের নানাভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ। পুলিশ জানিয়েছে, বিধায়কদের ভুয়ো ফোন করার অভিযোগ পেয়েই তাঁরা বিষয়টির তদন্ত করে চলেছেন। এ ব্যাপারে ইম্ফল থানায় একটি মামলাও নথিভুক্ত করা হয়েছে। এই ধরনের কাজে জড়িতদের কঠোর শাস্তি পেতে হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন পুলিশের পদস্থ কর্তারা। ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল এবং বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশনের ব্যাপারে রাজ্যের মুখ্যসচিব প্রশান্তকুমার সিংহ অবশ্য আগেই চ্যানেলগুলিকে সাবধান করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, অস্থিরতা সৃষ্টির লক্ষ্যেই একটি গোষ্ঠী এই ধরনের কাজ করে চলেছে। তাদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।



