Barak UpdatesHappeningsBreaking News
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নৈশকার্ফু বহাল থাকছে

ওয়েটুবরাক, ১৮ ফেব্রুয়ারি:— কাছাড় জেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে এক কিলোমিটার এলাকার মধ্যে সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত নৈশকার্ফু কার্যকর থাকবে। জেলাশাসক মৃদুলকুমার যাদব ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ নং ধারায় এ সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেছেন। তিনি জানান, এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো সীমান্ত পারাপারের অবৈধ কার্যকলাপ রোধ এবং রাতে নিরাপত্তা জোরদার করা।
এছাড়াও, কাছাড় জেলার ভারতীয় সীমানার মধ্যে অবস্থিত সুরমা নদী এবং এর উঁচু পাড়ে রাতের বেলায় যেকোনও ধরনের চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় মাছ ধরা কার্যক্রমও অন্তর্ভুক্ত, তবে স্থানীয় বাসিন্দারা বিশেষ প্রয়োজন হলে কাটিগড়া সার্কেলের সার্কেল অফিসার এবং ইজারাদারের অনুমতি সাপেক্ষে মাছ ধরতে পারবেন। অনুমতির একটি অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং ধলছড়ায় বিএসএফের ১৭০ নং ব্যাটালিয়নের কমান্ড্যান্টের কাছে জমা দিতে হবে।
অবৈধ পণ্য পরিবহণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর নির্দেশ জারি করা হয়েছে। সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয়ের মধ্যে বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষা কাছাড় জেলার পাঁচ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে চিনি, চাল, গম, ভোজ্য তেল, কেরোসিন এবং লবণসহ গুরুত্বপূর্ণ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী পরিবহণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে, বিশেষ প্রয়োজনে কাটিগড়া সার্কেলের সার্কেল অফিসার স্থানীয় সাপ্লাই অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে বিশেষ পারমিট প্রদান করতে পারবেন। এই পারমিটের একটি কপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং বিএসএফের ১৭০ নং ব্যাটালিয়নের কমান্ড্যান্টের কাছে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
তবে এই নির্দেশ থেকে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের ছাড় দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে একতরফাভাবে জারি করা এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং আগামী দুই মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই নির্দেশনার মাধ্যমে স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছেন যে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বার্থের কথা বিবেচনায় রেখে নিয়ন্ত্রিত পারমিট পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকার শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে তিনি সকল নাগরিকের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
শিলচরের তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগের আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানানো হয়েছে।



