Barak UpdatesHappeningsBreaking News
প্রবীণ শিক্ষাবিদ কুশেন্দ্র চন্দ্র দাশের জীবনাবসান

ওয়েটুবরাক, ৮ মার্চঃ প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট সমাজসেবী কুশেন্দ্র চন্দ্র দাশের জীবনাবসান হয়েছে। ব্রেনস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে শনিবার ৭ মার্চ দুপুর ১২টা ৫২ মিনিটে নিজ বাসভবন বড়জালেঙ্গা ৬ষ্ঠ খণ্ড (১৬ নং গ্রামে) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
গত ৬ মার্চ সকাল আনুমানিক পৌনে ছয়টায় নিজ বাসভবনে ব্রেনস্ট্রোকে আক্রান্ত হলে পরিবারের লোকরা সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে শিলচরের বেসরকারি ভ্যালি হাসপাতালে ভর্তি করান । সেখানে গিয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে এবং আইসিইউ থেকে তাঁকে ভেন্টিলেশনে স্থানান্তরিত করা হয়। পরে পরিবারের লোকরা তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসেন এবং কিছুক্ষণ পরেই তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। রেখে গেছেন একমাত্র পুত্র এপিডিসিএল-এর কর্মী কল্পতরু দাশ, দুই বিবাহিত কন্যা শান্তি ও শঙ্করী, ছোট ভাই রাজেন্দ্র চন্দ্র দাশ, নাতি নাতনী সহ অসংখ্য গুণমুগ্ধ।
প্রবীণ এই শিক্ষাবিদের মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ছুটে আসেন আত্মীয় স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী সহ গ্রামবাসীরা। এদিন প্রয়াতের মৃত্যুর খবর পেয়ে ধলাইর বিশিষ্ট কংগ্রেস নেতা ধ্রুবজ্যোতি পুরকায়স্থ তাঁর বাড়িতে গিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান। এদিকে প্রবীণ শিক্ষাবিদের মৃত্যুসংবাদ জানতে পেরে গভীর শোক ব্যক্ত করেছেন ধলাইর বিধায়ক নীহার রঞ্জন দাস। তিনি প্রয়াতের পুত্র কল্পতরুর সাথে টেলিফোনে কথা বলেন এবং বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।
প্রয়াত কুশেন্দ্র চন্দ্র দাশ শিক্ষাজগতের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও জড়িত ছিলেন। ধলাই আঞ্চলিক অখণ্ড সংগঠন, বরাক ভ্যালি পাটনী পরিষদ, অসম অনুসূচিত জাতি পরিষদের সাথে সক্রিয় ভাবে জড়িত থেকে কাজ করে গেছেন। রবিবার স্থানীয় শালগঙ্গা নদীর পাশে প্রয়াতের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।



