Barak UpdatesHappeningsBreaking News
পিতার ১০৮-তম জন্মবার্ষিকী পালন করছেন দিলীপ পালরা

ওয়েটুবরাক, ১৮ ফেব্রুয়ারি: ২০২৩-২৪ বর্ষের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফলে কৃতিত্ব প্রদর্শনকারী অধরচাঁদ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তিন ছাত্রকে সংবর্ধনা জানাল শচীন্দ্র কুমার পাল মেমোরিয়াল ট্রাস্ট। গৌরগোবিন্দ বিশ্বাস, সুরজ নমঃশূদ্র ও প্রকাশজয় রিয়াঙকে শংসাপত্র, উত্তরীয়, বিবেকানন্দের ওপর লেখা শংকরের বই এবং নগদ পাঁচ হাজার টাকা পুরস্কার হিসেবে প্রদান করা হয়।
এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ট্রাস্টের অন্যতম কর্মকর্তা, আসাম বিধানসভার প্রাক্তন উপাধ্যক্ষ দিলীপকুমার পাল জানান, শুধু এবারই নয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় এই স্কুলের সেরা দুই ছাত্রকে প্রতি বছর ট্রাস্টের পক্ষ থেকে পুরস্কৃত করা হবে।
দিলীপবাবু এই স্কুলের ১৯৭২ সালের প্রাক্তনী। তাঁর অনুজরাও সবাই এই স্কুলেই পড়াশোনা করেছেন। তিনি বলেন, এই বছরটি তাঁদের কাছে বিশেষ বর্ষ। পিতা শচীন্দ্র কুমার পালের ১০৮-তম জন্মবার্ষিকী। ১০৮ সংখ্যাটি সনাতন ধর্মে পৃথক তাৎপর্য বহন করে বলে তারা এ বার ট্রাস্ট গড়ে কিছু কাজ করতে চাইছেন। এর অঙ্গ হিসেবেই এই সংবর্ধনা। এ ছাড়াও কল্যাণ আশ্রম এবং রাষ্ট্রীয় সেবিকা সমিতির শিলচর আবাসনের আবাসিক জনজাতিদের মধ্যাহ্ন ভোজে আপ্যায়িত করা হয়। ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘে গিয়েও তাঁরা পুজো-অর্চনা করেন এবং সেখানকার বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকদের ভোজন করান।
প্রতিটি সন্তানের কাছে মা-বাবার ভূমিকা সবার উপরে, এই মন্তব্য করে দিলীপবাবু জানান, তাঁর বাবা-কাকা-জেঠারা ১৯৫০ সালের ২ এপ্রিল পূর্ব পাকিস্তান থেকে পালিয়ে এ পারে আসেন। সম্পূর্ণ রিক্ত হাতে এসে কঠোর জীবন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ছেলে-মেয়েদের পড়িয়েছেন, বড় করে তুলেছেন। ১৯৯৮ সালে সাড়ে তিন মাসের ব্যবধানে তাঁর মা-বাবা দুজনের মৃত্যু হয়।
সোমবার স্কুলপ্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা সভায় দিলীপবাবু ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি শুভ্রাংশুশেখর ভট্টাচার্য, অধ্যক্ষা বর্ণালী ভট্টাচার্য প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন স্কুলের বরিষ্ঠ বিজ্ঞানশিক্ষক দীপক সেনগুপ্ত।



