Barak UpdatesHappeningsBreaking News
উইমেন্স কলেজে “শিক্ষা ও গবেষণার আবশ্যিকতা” বিষয়ক তিনদিনব্যাপী কর্মশালা

ওয়েটুবরাক, ১৯ জুন: উইমেন্স কলেজ, শিলচরে “শিক্ষা ও গবেষণার আবশ্যিকতা” শীর্ষক তিনদিনব্যাপী জাতীয় কর্মশালা বেশ সাড়া ফেলেছে। কলেজের নবগঠিত ইন্ডিয়ান নলেজ সিস্টেম সেল ও ইনস্টিটিউশনাল ইনোভেশন কাউন্সিলের যৌথ আয়োজনে এবং আইকিউএসির তত্ত্বাবধানে এই কর্মশালা চলছে। লক্ষ্য—শিক্ষকদের মধ্যে গবেষণা ও পাঠদানের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০-এর মূল ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া।
মঙ্গলবার কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ ড. সুজিত তেওয়ারি। তিনি জানান, ন্যাক পুনর্মূল্যায়নের পর এটিই কলেজের প্রথম বড় একাডেমিক উদ্যোগ। তাঁর কথায়, “জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ কেবল শিক্ষানীতি নয়, এটি একটি রাষ্ট্রীয় আন্দোলন। এটি এমন শিক্ষার কথা বলে, যা ভারতীয় ঐতিহ্যে প্রোথিত এবং আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। শিক্ষকদের ভূমিকা সেখানে মুখ্য।”
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ তথা আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন রেজিস্ট্রার অধ্যাপক নিরঞ্জন রায়। একইসঙ্গে কর্মশালার প্রথম দিনের রিসোর্স পার্সনও ছিলেন তিনি। তাঁকে কলেজের পক্ষ থেকে তুলসী চারা প্রদান করা হয়, যা ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতীক।অধ্যাপক রায় বলেন, “জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের প্রধান দায়িত্ব শিক্ষকদের কাঁধে। এই ধরনের কর্মশালা শিক্ষকদের প্রস্তুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।”
কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেন কনভেনার ড. সুজয় দাস। বক্তব্য রাখেন সহ-অধ্যক্ষ ড. শান্তনু দাস। তিনি স্বদেশীয় জ্ঞানপ্রণালীর গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং আইকিউএসির কো-অর্ডিনেটর ড. সরিতা ভট্টাচার্য মানোন্নয়নমূলক কর্মসূচির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অনুষ্ঠানের শেষে সহ-আয়োজক ড. নৃত্যেন্দু বিকাশ দাস ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ড. নৈঋতা ভট্টাচার্য।
বরাক উপত্যকার বিভিন্ন কলেজ ও আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কর্মশালায় অংশ নিচ্ছেন। চলছে ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশন, গবেষণার পদ্ধতিগত আলোচনা এবং ভারতীয় দর্শন ও শিক্ষাচিন্তা নিয়ে পর্যালোচনা।



