Barak UpdatesHappeningsBreaking News
উইমেন্স কলেজে গনজ্ঞাপন বিভাগের প্রথম দেয়াল পত্রিকা ‘কমিউনিকেশন’ উন্মোচিত

ওয়েটুবরাক, ২৪ এপ্রিল : ঐতিহ্য ও বহমান প্রযুক্তির ধারাপাতকে কেন্দ্র করে উইমেন্স কলেজ শিলচরের গনজ্ঞাপন বিভাগের দেয়াল পত্রিকা ‘কমিউনিকেশনে’র প্রথম সংস্করণ উন্মোচিত হলো বুধবার।
একদিকে যেমন ছিল বিশ্ব বই দিবস অর্থাৎ শেক্সপিয়ারের জন্ম-মৃত্যু দিবস, ঠিক অন্যদিকে দিনটি ছিল পৃথিবী বিখ্যাত চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায়ের ৩৩-তম প্রয়াণ বার্ষিকী। এই দুটি বিষয়েই ফুটে ওঠে গণজ্ঞাপন বিভাগের ছাত্রীদের দ্বারা পরিবেশিত দেয়াল পত্রিকায়।
এর উন্মোচনের আগে কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের জঙ্গি আক্রমণে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
দেয়াল পত্রিকাটি উন্মোচন করেন কলেজের অধ্যক্ষ ড. সুজিত তেওয়ারি ও কলেজের উপাধ্যক্ষ ড. শান্তনু দাস। উপস্থিত ছিলেন কলেজের অন্যান্য বিভাগের অধ্যাপক ও ছাত্রীরা।

গণজ্ঞাপন বিভাগের তরফে সত্যজিৎ রায়ের প্রয়াণ বার্ষিকীতে বিভাগ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। বিভাগীয় শিক্ষক গ্লোরিয়া গ্রেস বিশ্ব বই দিবসের তাৎপর্য সম্পর্কে অসম সরকারের এবছর বই পড়া নিয়ে উদ্যোগের বিষয়ে বলেন। গণজ্ঞাপন বিভাগের ছাত্রীদের তরফে দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্রী স্নেহা সিনহা ও চতুর্থ সেমিস্টারের ছাত্রী বিদিশা সিনহা তাদের দেয়াল পত্রিকার সম্পর্কে বক্তব্য রাখে।
কলেজের অধ্যক্ষ ড. তেওয়ারি তাঁর বক্তব্যে বলেন, গণজ্ঞাপন বিভাগের এই দেয়াল পত্রিকাটি অত্যন্ত মনোজ্ঞ হয়েছে। পত্রিকাটির থিম ট্রেডিশন টু টেকনোলজি বিষয়ে ডঃ তেওয়ারি বলেন, “আমাদের ঐতিহ্যকে কখনো ভুলে যাওয়া উচিত নয় এবং দেয়াল পত্রিকাতে কলেজের ঐতিহ্য এবং বর্তমান সময়ের প্রযুক্তিকে আপন করে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার যে বিষয়গুলি তুলে ধরা হয়েছে তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। কলেজের বিগত দিনের যাবতীয় বিষয়বস্তুকে তুলে ধরে বর্তমান সময়ে কলেজের পাঠ্যদানে বিভিন্ন ভাবে প্রযুক্তির ব্যবহারকে ছবি ও লেখনীর মাধ্যমে পরিবেশিত করা হয়েছে যা ছাত্রীদের জ্ঞান অর্জনে বিশেষ অবদান রাখবে বলে তিনি মনে করেন। তাঁর কথায়, সঠিক যোগাযোগ ও বার্তা প্রণয়ন যে কোনও বিষয়কে সরল এবং সফল করে তুলতে পারে। কলেজের উপাধ্যক্ষ ড. শান্তনু দাস বলেন, পাঠদানে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ উন্নত করা একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ এবং সঠিক কমিউনিকেশনের মাধ্যমে এই বিষয়টি তুলে ধরা সম্ভব। তিনি বিভাগের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

ইতিহাস বিভাগের প্রধান ড. সঙ্ঘমিত্রা জহরীর বক্তব্য, পুরনো দিনে ব্যবহৃত সিনেমা রিল এবং অডিও ক্যাসেটের যে বিষয়গুলি দেয়াল পত্রিকায় তুলে ধরা হয়েছে তা সবাইকে এক লহমায় শৈশবে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে। ট্রেডিশন টু টেকনোলজির সঙ্গে তিনি বিভাগের উদ্যোগকে একটি ট্রেন্ড সেটার হিসাবেও আখ্যায়িত করেন। বাংলা বিভাগের প্রধান ড. সুস্পিতা দাস, বরিষ্ঠ শিক্ষিকা ড. সর্বানি বিশ্বাস ও দর্শন বিভাগের প্রধান ড. সঙ্ঘমিত্রা দেবনাথ বিভাগের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।



