Barak UpdatesHappeningsBreaking News
আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিলচর ক্যাম্পাসে অসমিয়া বিভাগ খোলা সময়ের অপেক্ষা মাত্র
কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের চিঠি এলেই ৭ শিক্ষক নিয়োগ
December 20, 2025

ওয়েটুবরাক, ২০ ডিসেম্বর: আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অসমিয়া বিভাগ আগে থেকেই চালু রয়েছে৷ ২০০৭ সালে ডিফু ক্যাম্পাসের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই অসমিয়া ভাষায় স্নাতকোত্তর করানো হয় সেখানে৷ এবার শিলচর ক্যাম্পাসেও অসমিয়া বিভাগ খোলা সময়ের অপেক্ষা মাত্র।
আসাম বিশ্ববিদ্যালয় ৭ জন শিক্ষকের নিযুক্তি দিয়ে নতুন এই বিভাগ শিলচর ক্যাম্পাসেও খোলার যে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এরই মধ্যে তাতে অনুমোদন জানিয়েছে৷ নিজেদের সুপারিশ সহ ওই প্রস্তাব কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকে পাঠিয়েছেন তারা৷
আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. প্রদূষ কিরণ নাথ জানান, কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের চিঠি পেলেই তারা পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু করবেন ৷ তবে শিক্ষা মন্ত্রক ইউজিসির সুপারিশের প্রেক্ষিতে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত তাঁদের জানায়নি ৷
ড. নাথের কথায়, ৭টি শিক্ষক পদের মঞ্জুরি সংক্রান্ত ইতিবাচক চিঠি পেলে পরবর্তী প্রক্রিয়া হিসেবে প্রথমে শিক্ষকদের বেতন-ভাতার সংস্থান করতে হবে৷ এরপর আসবে নিযুক্তি প্রক্রিয়া৷ নিযুক্তির বিষয়টি সময়সাপেক্ষ হলেও তিনি আশা করছেন, সব ঠিকঠাক চললে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষেই নতুন অসমিয়া বিভাগে স্নাতকোত্তর কোর্সে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হবে৷
তবে প্রশ্ন উঠেছে, শিলচর ক্যাম্পাসে অসমিয়া বিভাগ খুলে বরাক উপত্যকার ছাত্র-ছাত্রীদের কতটা লাভ হবে? কত ছাত্র-ছাত্রী মিলবে, এ নিয়েও সংশয় রয়েছে৷ কারণ এই অঞ্চলে জিসি বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া অন্য কোথাও অসমিয়া ভাষায় অনার্স কোর্স করানো হয় না৷ শিক্ষাবিদদের অনেকের বক্তব্য, স্নাতকোত্তর কোর্সের চেয়ে কলেজগুলোতে অসমিয়া ভাষার অনার্স খোলা গেলে বরং বেশি লাভ হতো৷
একাংশ মানুষ আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিলচর ক্যাম্পাসে অসমিয়া বিভাগ খোলার খবরে সমাজ মাধ্যমে দাবি তুলেছেন তেজপুর এবং ডিব্রুগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগ খোলার জন্য ৷ তাদের বক্তব্য, যেখানে এক শতাংশ অসমিয়া ভাষাভাষী মানুষ নেই, সেখানে অসমিয়া বিভাগ খোলা হলে যেখানে ৩০ শতাংশ বাঙালির বসবাস, সেখানে কেন বাংলা বিভাগ থাকবে না ?
অনেকে আবার আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যে আগে থেকেই অসমিয়া বিভাগ চালু রয়েছে, সে কথাই জানেন না৷ না জেনেই সমাজমাধ্যমে কটুক্তি করছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম আসাম বিশ্ববিদ্যালয় হলেও সেখানে অসমিয়া বিভাগ খুলতে তিন দশক সময় লেগে গেল!


