India & World UpdatesHappeningsBreaking News

আজ উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন, রাধাকৃষ্ণনের জয় সময়ের অপেক্ষা মাত্র

ওয়েটুবরাক, ৯ সেপ্টেম্বর: আজ মঙ্গলবার  উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন। দুই দক্ষিণী প্রার্থীর মধ্যে এই নির্বাচনের একমাত্র আকর্ষণ, দলীয় হুইপ অমান্য করে সংসদ সদস্যরা ক্রস ভোটিং করেন কি না।

দেশের পরবর্তী উপরাষ্ট্রপতি যে সিপি রাধাকৃষ্ণনই হতে চলেছেন, তা একরকম নিশ্চিত৷ এনডিএ প্রার্থীর জয় এখন খালি সময়ের অপেক্ষা৷ তবে শুধু জয় নয়, উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ের মার্জিন যতটা সম্ভব বাড়িয়ে নিয়ে বিরোধীদের বার্তা দিতে চায় বিজেপি৷

শুধুমাত্র নিজেদের জোট সঙ্গী নয়, বিজেপি অথবা কংগ্রেস, কারও সঙ্গে কোনওরকম জোটে নেই যে দলগুলি, তাদের সমর্থন আদায়েরও চেষ্টায় আছে পদ্ম শিবির৷ একান্ত তা না হলে সেই দলগুলি যাতে ভোটদান থেকে বিরত থাকে তার জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

ভোটদান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিল বিজেডি (ভারত রাষ্ট্র সমিতি) এবং বিআরএস (বিজু জনতা দল)। বিজেডির তরফে দলের সাংসদ সস্মিত পাত্র এবং বিআরএসের তরফে দলের কার্যনির্বাহী সভাপতি কেটি রামা রাও একথা ঘোষণা করেছেন।

এ প্রসঙ্গে রাও বলেন, “তেলেঙ্গানায় ইউরিয়ার ঘাটতির কারণে কৃষকরা সমস্যায় পড়েছেন। কিন্তু সেই সমস্যা সমাধানে বিজেপি বা কংগ্রেস কেউই কোনও উৎসাহ দেখায়নি। তাই কৃষকদের পাশে দাঁড়াতেই আমরা উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটদান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যদি ভোটে নোটার বিকল্প থাকত, তাহলে বিআরএস সেটা ব্যবহার করত।” অন্যদিকে, সস্মিত বলেন, “বিজেডি প্রধান নবীন পট্টনায়ক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিজেডি ভোটদান থেকে বিরত থাকবে। কংগ্রেস এবং বিজেপির থেকে দূরত্ব বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত। ওড়িশা এবং রাজ্যের সাড়ে ৪ কোটি মানুষের উন্নয়নের উপরই আমাদের সম্পূর্ণ মনোযোগ।”

উল্লেখ্য, ২১ জুলাই রাতে আচমকাই শারীরিক কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়। নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহরা তাঁদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও সংঘ পরিবারের পছন্দের মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল সি পি রাধাকৃষ্ণানকে প্রার্থী করেন। অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি বি সুদর্শনকে প্রার্থী করে চমক দেয় ইন্ডিয়া জোট।

কেন দু’পক্ষই দক্ষিণ ভারত জন্মগ্রহণ করা দু’জনকে প্রার্থী করলেন? সূত্রের খবর, তৃতীয় মোদি সরকার গঠনের সময় লোকসভার অধ্যক্ষের পদ দাবি করেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ও টিডিপি প্রধান চন্দ্রবাবু নাইডু। কিন্তু অধ্যক্ষের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ শরিকদের হাতে ছাড়তে চাননি মোদি-শাহরা। তাতে মনঃক্ষুণ্ণ হন চন্দ্রবাবু। রাধাকৃষ্ণানকে প্রার্থী করে মোদি-শাহরা ‘এক ঢিলে দুই পাখি’ মেরেছেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অন্যদিকে পালটা সুদর্শন রেড্ডিকে প্রার্থী করে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে ইন্ডিয়া জোট। কারণ জন্মসূত্রে তিনিও দক্ষিণ ভারতীয় এবং একসময় চন্দ্রবাবুর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
Close
Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker