India & World UpdatesHappeningsBreaking News
স্বামী মেজর জিয়াউরের পাশে সমাধিস্থ করা হল খালেদাকে

ওয়েটুবরাক, ৩১ ডিসেম্বর: জনজোয়ারের মাঝেই শেষকৃত্য সম্পন্ন হল বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপি নেত্রী খালেদা জ়িয়ার। বুধবার দুপুর ৩টে ৩৩ মিনিটে খালেদার ‘জানাজা’ শুরু হয়। শেষ হয় ৩টে ৩৫ মিনিটে। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তথা খালেদার পুত্র তারেক রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রমুখ। ছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করও। তিলধারণের স্থান ছিল না ঢাকার সংসদ ভবন চত্বরে।
জানাজা শেষে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে খালেদার মরদেহ সংসদ ভবন থেকে মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় জিয়া উদ্যানে নিয়ে যাওয়া হয়। সমাধির কাছাকাছি পৌঁছোনোর পর খালেদার মরদেহবাহী কফিন কাঁধে তুলে নেন সেনা ও নৌবাহিনীর সদস্যেরা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ জিয়া উদ্যানে তাঁর স্বামী তথা বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মেজর জিয়াউর রহমানের পাশে সমাধিস্থ করা হয় খালেদাকে।
খালেদার শেষকৃত্যে ভারতের প্রতিনিধি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জয়শঙ্কর। এ জন্য বুধবার সকালেই ঢাকায় পৌঁছে যান ভারতের বিদেশমন্ত্রী। স্থানীয় সময় বুধবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ জয়শঙ্কর ভারতীয় বায়ুসেনার বিশেষ বিমানে বাশারে বাংলাদেশ বায়ুসেনার ঘাঁটিতে নামেন। তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের সচিব এম ফরহদ হোসেন। এর পর ঢাকার সংসদ ভবনে খালেদা-পুত্র তারেকের সঙ্গে দেখা করে তাঁর হাতে ভারতের শোকবার্তা তুলে দেন জয়শঙ্কর। শুধু তা-ই নয়, খালেদার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ভারতের একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শোকপ্রকাশ করেছেন।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ ঢাকার হাসপাতালে মৃত্যু হয় খালেদার। একাধিক শারীরিক সমস্যা নিয়ে এক মাসেরও বেশি সময় ঢাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করার কথা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। আজ বুধবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হবে।



