NE UpdatesHappeningsBreaking News
এসআইআর নয়, এসআর করার নির্দেশ অসমের নির্বাচন কমিশনকে
শনিবার থেকে বাড়ি বাড়ি যাবেন বিএলওরা

ওয়েটুবরাক, ১৭ নভেম্বর: এসআইআর না হলেও অসমে রুটিন মেনেই এসআর হবে। সোমবার দেশের নির্বাচন কমিশনের সচিব রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে এ সংক্রান্ত সমস্ত কাজকর্ম সেরে আগামী ২৭ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন। কত দিনের মধ্যে কোন কাজ শেষ করতে হবে, তাও স্পষ্ট করে জানিয়েছেন তিনি।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর না হলেও ২১ পাতার নির্দেশিকায় সচিব পবন দিওয়ান বলেন, বিশেষ সংশোধন বা এসআইর জন্য রাজ্য কমিশনকে মঙ্গলবার থেকেই কাজে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। এস আর সংক্রান্ত যাবতীয় মুদ্রণ ও প্রশিক্ষণ শুক্রবারের মধ্যে সারতে হবে। শনিবার অর্থাৎ ২২ নভেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিএলওরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভেরিফিকেশন করবেন। একই সময়ে চলতে থাকবে ভোটকেন্দ্র রেশনেলাইজেশন, বর্তমান ভোটার তালিকা বা ফটো পরিচয় পত্রে কোনও অসঙ্গতি থাকলে সেসব দূরীকরণ ইত্যাদি। ২১ ডিসেম্বর শুরু হবে এক নং থেকে আট নং ফর্মের কাজকর্ম। এই কাজ ছয়দিনে সেরে নিতে সোমবারের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে।
২০২৬ সালের ১ জানুয়ারিকে ভিত্তি ধরে প্রস্তুত খসড়া ভোটার তালিকা ২৭ ডিসেম্বর প্রকাশের পরদিনই আরম্ভ হয়ে যাবে দাবি-আপত্তি গ্রহণ। ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত ভোটাররা খসড়া ভোটার তালিকার ওপর দাবি-আপত্তি জানাতে পারবেন। ওই সময়সীমার প্রতিটি শনি ও রবিবার বিশেষ শিবির গড়ে দাবি-আপত্তির নিষ্পত্তি সেরে নিতে বলে দেওয়া হয়েছে। ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ সংক্রান্ত যাবতীয় আর্জি শুনে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে হবে। ৬ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করে দেশের নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠাতে বলা হয়েছে। সবশেষে ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ভাবে সংশোধিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
সোমবারের এই নির্দেশিকায় প্রতি বিধানসভা আসনের রিটার্নিং অফিসারকে এমন ভাবে কাজ করতে বলা হয়েছে যাতে কোনও অবৈধ ভোটার এই তালিকায় স্থান না পায় এবং ১৮ বছরের ঊর্ধ্বের কোনও বৈধ নাগরিক যাতে ভোটার তালিকার বাইরে না থাকেন। বিএলওরা যখন বাড়ি বাড়ি যাবেন, তখন তাদের একাধিক জায়গায় নাম থাকা, মৃত ও স্থায়ী ভাবে চলে যাওয়া ভোটারদের চিহ্নিত করতে হবে। সেইসঙ্গে ১৮-ঊর্ধ্ব নতুন ভোটারদের নাম তুলতে হবে এবং ১ জানুয়ারি তারিখে ১৮ বছর হয়ে যাবে, এমন সম্ভাব্য ভোটারদের পৃথক তালিকা তৈরি করে কমিশনে পাঠাতে হবে।
তবে ডি ভোটারের ক্ষেত্রে বিএলওরা কোনও ধরনের সংযোজন-বিয়োজন করতে পারবেন না। বলে দেওয়া হয়েছে, এ সংক্রান্ত যাবতীয় সংশোধন করা হবে শুধুই ফরেনারস ট্রাইব্যুনাল বা আদালতের রায়ের ভিত্তিতে।



