Barak UpdatesAnalyticsBreaking News
বরাকের যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপরই প্রথম নজর থাকবে, বলছেন কণাদ

ওয়ে টু বরাক, ১৪ জুন : রাজ্যসভার সাংসদ হওয়ার পর দলীয় কর্মী ও সমর্থকের অভিনন্দনের জোয়ারে ভেসে শিলচরে পৌছলেন কণাদ পুরকায়স্থ। এ দিন নির্দিষ্ট কয়েকটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের ফাঁকে নিজের প্রতিক্রিয়াও প্রকাশ করেছেন তিনি। শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির প্রতিমূর্তিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর কণাদ বলেন, সবার আশীর্বাদে তিনি রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছেন। এটি শুধু তাঁর নিজের প্রাপ্তি নয়, এ প্রাপ্তি পুরো বরাক উপত্যকার মানুষের। উপত্যকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সমস্যায় জর্জরিত ছিলেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর বরাকের মানুষের কষ্ট কিছুটা লাঘব হয়েছে। কাজ এখনও অনেক বাকি রয়েছে।
তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা অসমকে দেশের সেরা ৫টি রাজ্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করার যে স্বপ্ন নিয়ে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, সেসঙ্গে বরাক উপত্যকাকে একটি বিশেষ স্থানে নিয়ে যাবার কাজ করে যাচ্ছেন, তাঁর পাশে আমি রয়েছি। কণাদ আরও বলেছেন, সাংসদ হিসেবে তাঁর সময়কালে তিনি এ অঞ্চলকে যাতে বিশেষ একটি জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায়, সে চেষ্টা আপ্রাণ করে যাবেন। এজন্য তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
সাংসদ হিসেবে তাঁর প্রথম কাজ কী হবে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবও দিয়েছেন কণাদ। তিনি বলেন, বরাক উপত্যকার যোগাযোগ ব্যবস্থা একসময় বিপর্যস্ত ছিল। কিন্তু বিজেপি সরকার আসার পর যোগাযোগ ব্যবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে। তাঁর কথায়, ইস্ট-ওয়েস্ট করিডোরের কাজ আগামী ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যে শেষ করার কথা বলা হয়েছে। এ ব্যাপারে তাঁর প্রথম কাজ হবে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যাতে এর কাজ শেষ করা যায়। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী বরাপাণি থেকে পাচগ্রাম পর্যন্ত এক্সপ্রেস হাইওয়ের জন্য ২২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এই হাইওয়ের কাজ সময়মতো শেষ করার দিকেও তিনি নজর দেবেন বলে এ দিন জানিয়ে দেন। কণাদ বলেন, বরাক উপত্যকার বেকার ছেলেমেয়েদের জন্য যাতে এখানে একটি ইন্ডাস্ট্রি গড়া যায়, সেদিকেও তিনি নজর দেবেন।



